ব্রেকিং নিউজ:
বাগেরহাটের চিংড়ি চাষীরা বিপাকে
নিউজ ডেস্ক    আগষ্ট ৩০, ২০১২, বৃহস্পতিবার,     ০১:২৫:২০

 

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ির দাম ব্যাপক কমে গেছে। এ কারণে হাজার হাজার চিংড়ি চাষী লোকসানের মুখে পড়েছে। চিংড়ি চাষীদের অভিযোগ দেশের চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ কোম্পানি ও রফতানিকারকদের অসাধু কিছু সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে পরিকল্পিতভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি করেছেন।
বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ১৯৮২ সালে থেকে শুরু হয় লবণ পানিতে চিংড়ির চাষ। অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষ ঝুঁকে পড়ে চিংড়ি চাষে। প্রচুর লাভ হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ চিংড়ির নাম দেয় সাদা সোনা। কিন্তু সেই সোনার দিন এখন আর নেই। এসব এলাকার চিংড়ি চাষীরা বলছে, আগের মত দাম না পাওয়ায় অনেকেই এখন চিংড়ি চাষ করা ছেড়ে দিয়েছে। এতে চিংড়ি চাষীরা সর্বশান্ত হলেও কোম্পানিগুলো ব্যাপক লাভবান হচ্ছে। তবে প্রক্রিয়াকরণ কোম্পানিগুলো আর রফতানিকারকরা বলছে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বিশেষ করে ছোট আকারের চিংড়ির দাম একেবারেই নেই বললেই চলে। চিংড়ি ব্যবসায়ীরা জানান, বাগেরহাটের ফলতিতা, ফয়লাহাট এবং বারকাপপুর চিংড়ি কেনাবেচার বড় বাজার। চিংড়ির দাম কমে যাওয়ায় সেখানেও কমে গেছে কেনাবেচা। তবে লোকসানের মুখে অনেকই চিংড়ি ব্যবসা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। এদিকে রফতানি কমে যাওয়ায় চিংড়ির দাম কমেছে বলে মনে করছেন বাগেরহাটের মৎস্য কর্মকর্তারা। চিংড়ি চাষের সাথে জড়িয়ে আছে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ। এজন্য চিংড়ির বাজারের সুদিন ফিরিয়ে আনতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন চাষীরা।
বি.পি/এস.এম.বি/০১.৩০
বিভাগ: অর্থযোগ   দেখা হয়েছে ২৯৪২ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :