ব্রেকিং নিউজ:
দিয়াইউ দ্বীপ নিয়ে চীন-জাপান সম্পর্ক শীতল
নিউজ ডেস্ক    সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১২, সোমবার,     ০৪:১০:৫১

 

জাপানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার ছিলো চীন। কিন্তু চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ দিয়াইউ দ্বীপটি জাপান সরকার কিনে নেয়ার পর চিড় ধরেছে দু’দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে। জাপানি পণ্যের বড় ক্রেতা চীনা পর্যটকরাও এরই মধ্যে বাতিল করেছেন তাদের জাপান সফরের পরিকল্পনা।
জাপানি পণ্যের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল চীনা পর্যটকরাই। জাপানে পর্যটন ব্যবসায় মোট আয়ের চার ভাগের এক ভাগ ছিল চীনাদের ওপরই নির্ভরশীল। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইদানিং চীনা পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে। যার কারণে তাদের ব্যবসাও এখন মন্দা।
জাপান পেইন্টিং স্টোরের মালিক মি. সাকাই বলছেন, আমার ব্যবসায় ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা বলতে পারবো না। গেলো সপ্তাহে চীনা ক্রেতা প্রায় ছিলই না। তারা সাধারণত সকালেই আসে। আর সকালে না আসার মানে আজ সারাদিনেও আর আসবে না।
জাপান সরকার চীনের সাথে মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকা দিয়াওইউ দ্বীপটি কিনে নেয়ার পর থেকেই মুখ ফিরিয়ে নেন চীনা পর্যটকরা। জাপান ভ্রমণ বাতিল করা চীনা নাগরিক বলছে দিয়াউ দ্বীপটি যে সবসময় চীনেরই ছিল এটা সবারই জানা। তাই আমরা চীনা নাগরিকরা আর্থিক খাতসহ সবক্ষেত্রেই একজোট হয়ে এর বিরোধিতা করবো। পূর্ব চীন সাগরে বসতিহীন পাঁচটি ছোট দ্বীপ এবং তিনটি পর্বত মিলে একটি দ্বীপপুঞ্জ দিয়াওইউ। জাপানি কুরিহারা বংশের একজন উত্তরসূরীর কাছ থেকে গেলো সপ্তাহে দুই কোটি ৬২ লাখ ডলারে এটি কিনে নেয় দেশটির সরকার। এজন্য জাপানকে হয়তো তার চেয়েও বেশি ক্ষতি গুণতে হবে।
জপানি ইলেক্ট্রনিক্স স্টোর ম্যানেজার মি. সং জানিয়েছেন, চীন-জাপান সম্পর্কের উত্তেজনার কারণে আমাদের এখন দুর্দিন যাচ্ছে। গেলো কদিনে সনি এবং শার্পের স্মার্ট ফোনের কোনো ক্রেতা ছিল না। অথচ কদিন আগেও দিনে চার পাঁচটি ফোন বিক্রি হতো। বিক্রি পড়ে গেছে জাপানি ব্রান্ডের কম্পিউটার এক্সেসরিজেরও। দিয়াওইউ দ্বীপটি নিয়ে বিরোধের কারণে আগস্ট মাসে চীনের তিনটি নগরীতে জাপানি টেলিভিশন বিক্রি কমে গেছে ৪০ শতাংশ। অথচ ২০১১ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ১৫ শতাংশেরও বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৪ হাজার ২৮৯ কোটি ডলার।
টি.এ/এস.এম.বি/০৪.০০
বিভাগ: বিশ্বযোগ   দেখা হয়েছে ১০২৩ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :