ব্রেকিং নিউজ:
LIVE TV
স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও ফ্যাক্টর মার্কিন নির্বাচনে
নিউজ ডেস্ক    নভেম্বর ০৫, ২০১২, সোমবার,     ১১:২৫:১৬

 

ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান পার্টি ছাড়াও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৭ জন এবার মার্কিন প্রেসিডন্টে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে বড় দুই দলের প্রচারণায় ঢাকা পড়েছেন বাকী ৫টি দলের প্রার্থীরা। পাচঁ নভেম্বর ওয়াশিংটনে শেষ দফা বিতর্কে মুখোমুখি হবেন তারা। ২৩শে অক্টোবর শিকাগোতে সরাসরি টিভি বিতর্কে মুখোমুখি হন এই প্রার্থীরা। আল জাজিরা ও রাশিয়া টুডে সরাসরি সম্প্রচার করলেও কোন মার্কিন টেলিভিশনে তা প্রচার হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কেবল ডেমোক্রট প্রার্থী বারাক ওবামা আর রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনিই লড়ছেন না। রয়েছেন আরো ৫টি দলের প্রার্থীরা। তবে প্রচারণার অভাবে তাদের লড়াইটা আড়ালেই থেকে গেছে।
গত ২৩ অক্টোবর শিকাগোতে এক বিতর্কে মুখোমুখি হন আড়ালে থাকা ৪ প্রার্থী। বিতর্কটি সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় টকশো উপস্থাপক ল্যারি কিং। বিতর্কে অংশ নেন জাস্টিস পার্টির প্রার্থী রকি অ্যান্ডারসন, কনসটিটিউশন পার্টির ভার্জিল গুড, লিবারটারিয়ান পার্টির গ্যারি জনসন আর গ্রিন পার্টির জিল স্টেইন।
রকি অ্যান্ডারসন এর আগে সল্টলেকের মেয়র ছিলেন। ভার্জিনিয়া থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসের প্রতিনিধি ছিলেন ভার্জিল গুড, নিউ মেক্সিকোর গভর্নর ছিলেন গ্যারি জনসন। জিল স্টেইন ২০০২ সালে ম্যাসাচুসেটসের গভর্নর নির্বাচনে মিট রমনির সাথে লড়ে হেরেছিলেন।
তাদের লড়াইটা গুরুত্বহীন মনে হলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রার্থীদের কারণেই ইলেকটোরাল কলেজে হেরে বসতে পারেন ওবামা বা রমনী। ২০০০ সালে গ্রিন পার্টির প্রার্থীর কারণে কাটা পড়েছিলো আল গোরের ইলেকটোরাল ভোট। এ কারণে বেশি ভোট পেয়েও বুশের কাছে হেরেছিলেন গোর।
মার্কিন লেখক ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ জেফ গ্রিনফিল্ড বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পদ্ধতিতে যে ধরনের নিয়ম, তাতে জয়ী হতে যাওয়া প্রার্থীরাও এসব প্রার্থীর ভোটের কারণে ইলেকটোরাল কলেজের ভোট হারাতে পারেন।
এই পাঁচ প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা না থাকলেও বড় দুই দলের জয়কে আরো কঠিন করে তুলতে পারেন তারা।
ইউ.আর/এস.এম.বি/১১.২০
বিভাগ: বিশ্বযোগ   দেখা হয়েছে ৪৯৮ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :