ব্রেকিং নিউজ:
LIVE TV
সাংবাদিক নির্যাতনের দায়ে পুলিশের এস আই কে প্রত্যাহার
নিউজ ডেস্ক    ডিসেম্বর ১১, ২০১২, মঙ্গলবার,     ০৯:১৪:২৩

 

হরতালের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় অন্যায়ভাবে দুই আলোকচিত্র সাংবাদিককে নির্যাতনের অপরাধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এক পুলিশ উপ-পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই মামুনকে প্রত্যাহারের এই আদেশ দেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ নাজমুল আলম।
মঙ্গলবার বিরোধী দলের হরতাল চলাকালে পুলিশের মারধরের শিকার হন ডেইলি স্টারের জ্যেষ্ঠ ফটোসাংবাদিক এমরান হোসেন ও নিউ এজের ফটো সাংবাদিক সৌরভ লস্কর।
সাড়ে ১১টার দিকে চিটাগাং রোডের সাইনবোর্ড এলাকার সড়কে হরতালকারীদের জ্বালিয়ে দেয়া একটি টায়ারের ছবি তুলতে গেলে একটি ভ্যান থেকে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নেমে তাদের মারধর করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফটো সাংবাদিক এমরান হোসেন বলেন, “ভ্যান থেকে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আমাদেরকে গলা ধরে ধাক্কাতে ধাক্কাতে প্রথমে কাছের একটি পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তারা ৫/৬ জন মিলে আমাদের এলোপাথারি কিল-ঘুষি -লাথিমারতে থাকে। তারা আমাদের ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।এরপর সেখান থেকে তারা তাদের আমাদেরকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।”
এদিকে দুই সাংবাদিকদের থানায় নিয়ে নির্যাতন করার খবর পেয়ে তাদের সহকর্মী সাংবাদিকরা নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা সড়কে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে এর প্রতিবাদ এবং এস আই মামুনসহ ‘দোষী’ পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবি জানাতে থাকেন।
ঘণ্টা দুই পর থানায় এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার শেখ নাজমুল আলম। সব কিছু শুনে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মারধরের শিকার দুই আলোকচিত্র সাংবাদিককে অবমুক্ত করার এবং এসআই মামুনকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ।
এরপর পৌনে ৩টার দিকে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন সাংবাদিকরা। দুই ফটো সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান আহত ফটো সাংবাদিক এমরান।
নারায়ণগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামানকে এ ঘটনা খতিয়ে দেখে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন এসপি।

এম এস/১৭.২৫
বিভাগ: প্রধান সংবাদ    দেখা হয়েছে ৫১২ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :