ব্রেকিং নিউজ:
রংপুর নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট গণনায় শরফুদ্দীন ঝন্টু এগিয়ে
নিউজ ডেস্ক    ডিসেম্বর ২০, ২০১২, বৃহস্পতিবার,     ১০:১৯:১৮

 

কে হচ্ছেন রংপুরের প্রথম নগর পিতা? সেই ফলাফল নির্ধারণে চলছে ভোট গণনা। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী রংপুর সিটি কর্পোরেশন (আরসিসি) নির্বাচনের ভোট গণনায় এগিয়ে আছেন নাগরিক কমিটির প্রার্থী মোহাম্মদ শরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু ।
মোট ১৭৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ঘোষিত ৫৬টি কেন্দ্রের ভোট গণনার ফলাফলে মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নাগরিক কমিটির প্রার্থী এবং রংপুর আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা শরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু পেয়েছেন ৩২৭৪০টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা পেয়েছেন ১৮৫৫০ ভোট।
তবে জাল ভোট নেয়ার অভিযোগে সন্ধ্যা সাতটায় ফলাফল প্রত্যাখান করেছেন গণমঞ্চ থেকে মেয়র প্রার্থী বিএনপি নেতা কাওছার জামান বাবলা। যদিও সকালে নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে মেয়র প্রার্থী সবাই বলেছেন, ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে এবং ফলাফল যাই হোক, তারা মেনে নেবেন।
এর আগে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর উৎসব আমেজে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় আরসিসি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। কনকনে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোটাররা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে তাদের পছন্দের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার জন্য ভোট দেন।
ভোটগ্রহণ শেষে আরসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রের ভোট গণনা এগিয়ে চলছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সকল মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা চলছে।
তিনি আরও জানান, প্রথমবারের মতো আরসিসি নির্বাচনে শতকরা ৮০ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।
আরসিসি নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, পুরুষ, মহিলা এবং যুবকসহ বিপুল সংখ্যক উৎসুক ভোটার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তীব্র শীত এবং উপেক্ষা করে লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে ভোট দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং পুলিশ জানিয়েছে, ১৭৮টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ৭০টি ভোট কক্ষের কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের চারটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)ব্যবহার করা হয় বলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরুল জানান।
১৭৮ জন প্রিসাইডিং অফিসার, এক হাজার ৭০ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং দুই হাজার ১৪০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন এ নির্বাচনে।
নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চার হাজারের বেশী পুলিশ ও আনসার সদস্যর পাশাপাশি তিন শ’র বেশী র্যাছব ও দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য কাজ করেছেন।
আর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ৪৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ছয় জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ১২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তা এবং নির্বাচন কমিশনের একটি পর্যবেক্ষক দল দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৫০টি কেন্দ্রে ভিডিও ক্যামেরা বসানো হয়। ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন ভিজিলেন্স টিমের দায়িত্বে।
আগের দিন পর্যন্ত প্রার্থীদের রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে নানা ঘটনা ঘটলেও এর কোনো প্রভাব পড়েনি রংপুরবাসীর মধ্যে।

এম. এস./২৩.৩০
বিভাগ: সংবাদ সংযোগ   দেখা হয়েছে ৪৪২ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :