ব্রেকিং নিউজ:
মেসি-ফুটবলের অপার বিস্ময়
নাহিদ দিপা    জুন ২৪, ২০১২, রবিবার,     ১২:৪০:৫৬

 

সাধারন পরিবারে জন্ম, সাধারনভাবে বেড়ে ওঠা। অসুস্থতার জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে আটলান্টিক পাড়ি দেয়া। পরে তাঁর হাত ধরেই পরিবারের আর্থিক-সামাজিক অবস্থান বদলে যাওয়া। বিশ্বে কোটি কোটি ভক্ত এখন তাঁর। এত কথা যার জন্য, তিনি লায়োনেল আন্দ্রেস মেসি। পাঁচ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে ফুটবলের সংগে বন্ধুত্ব। বাবা, স্টিল কারখানার শ্রমিক জর্জ হোরাসিও মেসি শখের ফুটবল কোচ। ছেলের প্রতিভা দেখে আট বছর বয়সেই, লায়োনেলের নাম লিখিয়েছিলেন নি-ওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাবে।নি-ওয়েলসে খেলছেন, ১১ হতে না হতে, ধরা পড়লো, গ্রোথ হরমনের ঘাটতি। চিকিৎসার খরচ মাসে ৯০০ ডলার। সাধ্য নেই শ্রমিক বাবা আর পার্ট টাইম ক্লিনার মায়ের। মেসির ফুটবল গুণে মুগ্ধ অনেক ক্লাবই তাকে দলে নিতে চায়, কিন্তু চিকিৎসার টাকা দেবে না। গুণী ছেলেটাকে কোলে তুলে নেয় আরেক দেশের ক্লাব, স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। চোখ আর দূরদৃষ্টি ছিলো বটে, দলের স্পোর্টিং কোচ,চার্লস রেজাচ (ইকরাম বলতে পারে, Carles Rexach)-এর। অবশ্য শর্ত জুড়ে দেন, আর্জেন্টিনা ছেড়ে চলে যেতে হবে স্পেইনে। বাবা আপত্তি করেননি। হাতের কাছে কাগজ ছিল না, চুক্তি সই হয় পেপার ন্যাপকিনে।সেই ক্ষুদে মেসি এখন ফুটবল জায়ান্ট,বিশ্বের চোখ ধাঁধানো ফুটাবলের রাজা, অনেক নামী ব্র্যান্ডের মডেল। গরীব ঘরের ছেলের বছরে রোজগার, দেড়শ কোটি টাকার(?) কাছাকাছি।পৃথিবী জোড়া খ্যাতি আর মানুষের ভালবাসায়, ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন ২০১১তে। তাঁর মেসি অ্যান্ড হিজ ফ্রেইন্ডস প্রায়ই আয়োজন করে চ্যারিটি ম্যাচের। পুরো টাকাই যায় দাতব্য প্রতিষ্ঠানে। নিজের খেলা, দলের খেলা, ফুটবল ছাপিয়ে এই অপার বিষ্ময় এখন অন্যতম জনপ্রিয়.... বিশ্বমানব।
বিভাগ: খেলাযোগ   দেখা হয়েছে ৫৬৪১ বার.

 

শেয়ার করুন :

 
মন্তব্য :