মনের ভুলেই পাসপোর্ট রেখে গিয়েছিলেন পাইলট

পাসপোর্ট রেখে পাইলটের কাতারে যাবার ঘটনায় প্রতিবেদন জমা দিয়েছে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে ইমিগ্রশেন সংক্রান্ত নিয়মকানুন সবাইকে মেনে চলার সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটি আরো জানায়, মনের ভুলেই পাসপোর্ট রেখে কাতার চলে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ বিমানের পাইলট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদেশ যাত্রাকে কেন্দ্র করে বার বার সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে বাংলাদেশ বিমান। ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তুর্কমেনিস্তানে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। একই বছর ৮ জুন সৌদি আরব থেকে ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রানওয়েতে ধরা পড়ে ধাতববস্তু। তাই আধ ঘন্টা দেরিতে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইট। সবশেষ ফিনল্যান্ড সফররত প্রধানমন্ত্রীকে দেশে আনতে গিয়ে বাংলাদেশ বিমানের পাইলট ফজল মাহমুদ চৌধুরী নিজের পাসপোর্ট রেখেই কাতার চলে যান। পরে ঢাকা থেকে তার পাসপোর্ট ও আরেকজন পাইলট পাঠিয়ে বিমানের ফ্লাইটেই দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বিমান যাত্রাকে ঘিরে নানা ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাইলটের পাসপোর্ট ছাড়া ভ্রমন ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলার ঘটনা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মাৎ নাসিমাকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে পাইলট ভুল করে পার্সপোর্ট দেশে রেখে গেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে যাত্রীদের মতো পাইলটদেরও পাসপোর্ট দেখিয়ে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার সুপারিশ করা হয়েছে। এদিকে সোমবার মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে ট্যারিফ কমিশন আইনের সংশোধনীর চৃড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রী পরিষদ। সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রীসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a comment