এফআর টাওয়ারের দুর্নীতি: ভবন মালিক, রূপায়ণ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বনানীতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এফআর টাওয়ারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা করেছে দুদক। আসামী করা হয়েছে জমির মালিক সৈয়দ হোসাইন ইমাম ফারুক ও ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ হাউজিং এর চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে। দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের গ্রেফতার করা হতে পারে।

২৮শে মার্চ বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকান্ডে মারা যান ২৬ জন। এই ঘটনার পর সামনে আসে ভবন নিরাপত্তার বিষয়টি। মাঠে নামে রাজউক। ভবনের নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এফআর টাওয়ার ১৫ থেকে ১৮ তলা করা হয়েছে ভবন নির্মাণ নীতিমালা অনুসরন না করে। বিধি না মেনে ভবন নির্মাণের অভিযোগে একটি মামলার আসামী করা হয় জমির মালিক সৈয়দ হোসাইন ইমাম ফারুক ও ভবন নির্মাণকারি প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ৫ জনকে।

এছাড়াও ভবন নির্মাণের ছাড়পত্রে দুর্নীতি, ভুয়া নকশায় অতিরিক্ত কয়েক তলা নির্মাণ করে বিক্রির মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার অভিযোগে আরো একটি মামলায় জমির মালিক, রুপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান, রাজউকের তৎকালিন চেয়াম্যানসহ আসামী করা হয় ২০ জনকে।

দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, মামলা হয়েছে এখন তাদের সব অভিযোগের তদন্ত হবে।

এই কর্মকর্তা জানান, রাজউক ও গণপূর্তের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়মের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ভবনের তালিকা চাওয়া হয়েছে। এরপর তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a comment