হঠাৎ দাম বেড়েছে প্রেসার ও গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের

হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে গ্যাসট্রিক ও প্রেসারের বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম। এসব ওষুধের কোনোটি প্রতি পাতায় বেড়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত। কাঁচামালের দাম বাড়ানোর কারণ দেখিয়ে এসব ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে। ঔষধ প্রশাসন বলছে, সরকার নির্ধারিত ১১৭টি ওষুধের বাইরে বাকিগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণ করার এখতিয়ার তাদের নেই।

দুই বছরের ব্যাবধানে আবারো বেড়েছে গ্যাস্ট্রিক ও প্রেসারের ওষধের দাম।এর মধ্যে আছে গ্যাসট্রিকের ঔষধ অ্যাসিফিক্স ২০ এমজি, ম্যাক্সপ্রো, ফিনিক্স ২০। আর প্রেশারের ঔষধ মধ্যে আছে বাইজোরান ৩/২০ ও ৩/৪০, ওলমেজান ২০ এমপি। প্রতিটি ওষুধের দামই পিসপ্রতি ২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ টাকা বেড়েছে।

ফিনিক্স নামের ওষুধটি আগে ৫ টাকা পিস ছিল। এখন বিক্রি হচ্ছে ৭ টাকা। বেশিরভাগ দোকানেই বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে এসব ওষুধ। তবে লাজ ফার্মার মতো জনপ্রিয় দোকান গুলোতে নতুন ওষুধ না আসায় আগের দামেই বিক্রি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক এই সদস্য বলছেন; বেশিরভাগ ওষুধের দামই কোম্পানিগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। তারা বাড়ালে এ ব্যাপারে আর কিছু করার থাকে না। তবে অতিরিক্ত দাম বাড়লে কমদামী ও মানহীন ওষুধের দিকে ঝুকে পড়ে ক্রেতারা। যার ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ।

আর্ন্তজাতিক বাজারে কাঁচা মালের দাম বাড়ার করাণ দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ওষুধের দাম বাড়ানো হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, সরকার নির্ধারিত ১১৭টি ওষুধের বাইরে বাকিগুলোর দাম বাড়ানোর এখতিয়ার কম্পানীগুলো। এ ব্যাপারে আইন সংশোধন না হলে অধিদপ্তরের কিছু করার নেই।

Leave a comment