মাঠ নেই বন্দর নগরীতেও

সংস্কারের অভাব ও বছরের বেশিরভাগ সময় অনুষ্ঠান আর মেলার আয়োজনের কারণে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের মাঠগুলোতে বন্ধ হতে চলেছে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার চর্চা। এতে করে শিশু-কিশোরদের শারীরিক চর্চা যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি তাদের সুস্থ-স্বাভাবিক মানসিক বিকাশও হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। চট্টগ্রাম আউটার স্টেডিয়াম। এই মাঠেই অনুশীলন করেছেন আকরাম খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, তামিম ইকবালের মত খেলোয়াড়রা। বর্তমানে এই মাঠের অর্ধেক জুড়েই গড়ে উঠেছে সুইমিংপুল। আর বাকী অংশের আশপাশেও গড়ে উঠেছে বিভিন্ন দোকান। এছাড়া এখানকার রেস্তোরাগুলোর ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গাও এটি। আর বছর জুড়ে নানান মেলাতো লেগেই আছে। একই অবস্থা নগরীর প্রধান দুটি খেলার জায়গা পলোগ্রাউন্ড ও লালদিঘী মাঠের। নানান অনুষ্ঠান আর বাণিজ্যিক মেলায় বেশীর ভাগ সময় দখলে থাকে এই দুটি মাঠ। শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ। তারা বলছেন, এতে করে তাদের সুস্থ বিনোদন ও মানসিক বিকাশের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরের মাঠগুলোতে বছরজুড়ে খেলাধুলা অব্যাহত রাখতে প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক মেলাগুলো শহরের বাইরে করার আহবান জানিয়েছেন খোদ সিটি মেয়র। যে সব মাঠ দখল হয়ে আছে তা পুনরুদ্ধার ও নতুন নতুন মাঠ তৈরি করে খেলাধুলার সুযোগ অব্যাহত রাখার দাবি নগরবাসীর।

Leave a comment