“সুনির্দিষ্ট পরোয়ানা থাকলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেপ্তার”

পরোয়ানা জারি হলে ডিআইজি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরই মধ্যে, বিতর্কিত এই পুলিশ কর্মকর্তার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল ও জব্দ করতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে দুদক। একইসাথে দুদকের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাসিরের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

দেড় বছর ধরে, ডিআইজি মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করে আসছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের ডিআইজি মিজানকে।

জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদক মামলা করে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে।

মামলার পর ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কাছে তার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল ও জব্দ করার চিঠিও পাঠায় কমিশন। এতোকিছুর পরও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না বিতর্কিত এই পুলিশ কর্মকর্তাকে, মঙ্গলবার মাদক বিরোধী দিবসের এক অনুষ্ঠান শেষে এসব প্রশ্নই ছিলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ডিআইজি মিজানের বিষয়ে ব্যবস্থা আইনি প্রক্রিয়ায় নেয়া হবে। ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বা তিনি আত্মসমর্পন করবেন বলেও মন্ত্রী এসময় জানান।

প্রথম দফায় তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর দুদক নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করে খন্দকার এনামুল বাসিরকে। কিন্তু দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাসির ও ডিআইজি মিজানের ৪০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের ফোনালাপ প্রকাশিত হয়। এরপরই তাকে সরিয়ে নেয়া হয় তদন্তের দায়িত্ব থেকে।

নিয়োগ করা হয় নতুন তদন্ত কর্মকর্তা। আবারো ফাঁস হয় প্রবাসী এক ব্যবসায়ীর সাথে মিজানের অডিও ক্লিপ। যেখানে ডিআইজি মিজান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত থেকে রক্ষা পেতে সরাসরি ও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে দুদক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘুষ লেনদেন করেছেন বলে জানান।

এরই মাঝে সংশোধন করা হয় দুদক আইনের বিধিমালা। সংশোধিত বিধিমালায় প্রথম মামলার আসামী ডিআইজি মিজান।

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান

Leave a comment