রণদা প্রসাদ হত্যার রায় বৃহস্পতিবার

মুক্তিযুদ্ধের সময় দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ও তার ছেলেসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় কাল রায় দেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলার একমাত্র আসামী টাঙ্গাইলের মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন, হত্যা-গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

রণদা প্রসাদ সাহার আদি নিবাস টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে। গত শতকের চল্লিশের দশকে তিনি ব্যবসার টাকায় কুমুদিনী হাসপাতাল, ভারতেশ্বরী হোমসের মত একাধিক শিক্ষা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ১৯৭১ সালের ৭ মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মির্জাপুর শান্তি কমিটির সভাপতির ছেলে মাহবুবুর রহমানের সহযোগিতায় রণদা প্রসাদ সাহার বাসা থেকে ২৫ জনকে ধরে নিয়ে যায়। যাদের মধ্যে রণদা প্রসাদ সাহা ও তাঁর ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাও ছিলেন। পরে সবাইকে হত্যা করে তাদের মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২৪ এপ্রিল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে। বুধবার ট্রাইব্যুনাল জানায় বৃহস্পতিবার রায়।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, সবগুলো অভিযোগের প্রমান তারা করতে পেরেছেন। তিনটি চার্জে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তিনটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করে পেরেছে বলে জানান প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল। তাই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায় আসবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।

তবে আসামী পক্ষ বরাবরের মতো বলছে অভিযুক্ত মাহবুব নির্দোষ।

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান

Leave a comment