তারেক রহমানকে আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরানো সম্ভব

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশকে চীনের সাথে আলোচনা করার কথা বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন। বুধবার ব্রিটেনের গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে বৈঠকে, তিনি আরো বলেন, লন্ডনে থাকা বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

বাংলাদেশের চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনই প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন। এবিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চিন সফরকে সংকট নিরসনের গুরুত্বপূর্ণ সময় বলেই মনে করছেন তিনি।

“আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে মিয়ানমারের প্রতি চাপ অব্যাহত রেখেছি, তবে এই সংকট সমাধানের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহে শেখ হাসিনার চীন সফরকালে এবিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ তৈরী হবে। ইতিমধ্যো ব্রিটিশ সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য ১৮০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা বরাদ্দ দিয়েছে।”

চলতি বছর মার্চে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের লন্ডনে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। লন্ডনে থাকা বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যপারে ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রবার্ট ডিকসন বলেন একমাত্র আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তারেক রহমানকে ফেরত পাঠানো সম্ভব।

“তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ফিরিয়ে নিতে হলে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেতে হবে, এ ব্যাপারে সরকারে করণীয় তেমন কিছু নেই। তবে হ্যাঁ এটা ঠিক বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার এই বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়েছে, তবে কোন ব্যক্তির তথ্য আমরা সরাসরি প্রকাশ করতে চাই না।”

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা সহ না বেক্সিট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাথে বানিজ্য সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার।

ওয়েব সম্পাদনা : সালমা সাবিহা খুশি

Leave a comment