তরল দুধে মারাত্নক ক্ষতিকর উপাদান

বাজারে প্রচলিত ৭টি  পাস্তরিত দুধে এন্টিবায়েটিক উপস্থিতি পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালোয়ের গবেষকরা। পাস্তরিত দুধের ৭টি ও অপাস্তরিত দুধের ৩টি নমুনার ১টিতে ডিটারজেন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

দুধের নামে কি খাচ্ছি জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালোয়ের ফার্মেসী অনুষদের ডীন এস এম আব্দুর রহমান জানান,

“দুধে এন্টিবায়েটিকর উপস্থিতি নতুন না। এদেশে এসব নমুনা এর আগেও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ৭টি  পাস্তরিত দুধে এন্টিবায়েটিক উপস্থিতি পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালোয়ের গবেষকরা। এসব  এন্টিবায়েটিক শরীরকে রেজিস্ট্যান্ট করে ফেলে। ফলে পরবর্তীতে শরীরে আর সেই এন্টিবায়েটিক কাজ করে না। ইনফেকশাস ডিজিজে যেহেতু এন্টিবায়েটিক ব্যবহার করা হয়। সেহেতু ব্যাপারটি ক্ষতিকর। শিশুরাই দুধ বেশী খেয়ে থাকে তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। আমেরিকায় আইন করে দুধে এন্টিবায়েটিকের উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিভিন্নভাবে এন্টিবায়েটিক দুধে আসতে পারে। গরুদের এন্টিবায়েটিক দিলে, গরুর ফিডের মাধ্যমে শরীরে ঢুকে  আবার গরুর মাংস, দুধ ও মূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে আসতে পারে। তবে মূত্রে এন্টিবায়েটিকের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশী থাকে।

কৃষক বা খামারীদের সচেতন হতে হবে। মনিটরিং দরকার। সবচেয়ে জরুরী সরকারের উদ্যোগ । পাস্তরিত দুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাদের যত্ন সহকারে ও সচেতনতার সাথে কাজ করতে হবে।”

ওয়েব সম্পাদনা  : সালমা সাবিহা খুশি

Leave a comment