যেকোনো বোলিং আক্রমণ মোকাবেলা করতে পারে টাইগার্স

গতি কিংবা স্পিন, বাউন্সার হোক বা ইয়র্কার; যে কোন বোলিং আক্রমণের বিপক্ষেই লড়াই করার সামর্থ্য রাখে বাংলাদেশ দল, একাত্তরকে জানিয়েছেন টাইগারদের ব্যাটিং পরামর্শক নেইল ম্যাকেঞ্জি। তার মতে, উইন্ডিজ আর অস্ট্রেলিয়ান পেইসারদের খেলার পর ভারতের বিপক্ষে সমস্যায় পরবে না বাংলাদেশ ব্যাটিং অর্ডার।

উইন্ডিজ ম্যাচের আগের দিন লিটনের সাথে প্রায় একঘন্টা কাজ করেছিলেন নেইল ম্যাকেঞ্জি। এগুলো সেই ছবি। লিটনের পারর্ফম্যান্স সবারই মনে আছে। টেকনিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের পাশাপাশি, ট্যাকটিক্যাল অর্থ্যাৎ প্রতিপক্ষের কোন বোলারকে কিভাবে সামলাতে হবে, ম্যাকেঞ্জি সেটা্র তালিমও দিচ্ছেন নিয়মতি।

সাউথ আফ্রিকান কোচ কখোনোই ব্যাটসম্যানদের নিজেদের সামর্থ্যের বাইরের কিছূ শেখানোর চেষ্টা করেন না। এই স্ট্র্যাটেজি গেল দুই বছর ধরেই ভালো কাজে দিয়েছে। বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত লেটার মার্ক পেয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটিং ইউনিট।

“একটা বা দুইটা দল না, সবদলের বোলিং শক্তিই ব্যাটসম্যানরা জানে। তবে পরের ম্যাচ কাদের বিপক্ষে, সেটাই কেবল মাথায় থাকে, গেম প্ল্যানও সাজানো হয় প্রতিপক্ষ দেখে। নিজেদের পরিকল্পনা ঠিক রেখে, সঠিক কাজগুলো করতে পারলে সাফল্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। উইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়ার সাথে পেইস সামলেছি। সামনে ভারত, গতি আর স্পিন দুই’ই সামলাতে হবে। ওরা যখন সামনে আসবে তখনই দেখা যাবে ব্যাটসম্যনরা কতোটা প্রস্তুত”

বার্মিংহ্যামে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। অনেক বিশ্লেষকের মতে, ভারতের বোলিং লাইন আপ বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা আর ম্যাচটাও টাইগারদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাকেঞ্জিও প্রস্তুত করেছেন শিষ্যদের।

“প্রতিদিনই কঠিন চ্যালেঞ্জ। বাঁহাতি সিমার, নব্বই মাইল গতির বোলার সবইতো ব্যাটসম্যানরা খেলেছে, ভালও করেছে। পরের ম্যাচগুলোতেও ব্যতিক্রম হবে না। ভারতের বোলিং দারুণ। ম্যাচের দিনই দেখা যাবে ওদের মোকাবেলায় আমরা কতটা প্রস্তুত”

বিশ্বকাপে সেরা দশ ব্যাটসম্যনের দুই জন সাকিব-মুশফিক। তামিম এখোনো বড় রান পাননি, রিয়াদও তাই। ওই দুইজন রান পেলে হয়তো সেরা দশের তিনজনই হতো বাংলাদেশী।

 

ওয়েব সম্পাদনা : সালমা সাবিহা খুশি

Leave a comment