বরগুনার নয়ন বন্ডের কালো ইতিহাস

রিফাতের হত্যাকারীদের মধ্যে দুই প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী অনেক আগে থেকেই বরগুনায় নানা অপরাধে জড়িত ছিল। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর রেকর্ড বলছে, নয়ন বাহিনীর সদস্যরা ছিনতাই ও সন্ত্রাসে জড়িত ছিল। এছাড়া তারা বরগুনা সরকারি কলেজের হোস্টেলে ঢুকে শিক্ষার্থীদের জোর করে মাদক খাইয়ে ব্লাকমেইল করতো। এলাকার লোকজন সব সময় ছিল আতঙ্কে।

আট বছর আগে বরগুনার কলেজ রোডের জনা বিশেক ছেলেকে নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে নয়ন বন্ড। তারা শহরের সরকারি কলেজে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মোবাইল, ল্যাপটপ, ও টাকা ছিনতাই করতো নিয়মিত। জোর করে শিক্ষার্থীদের মাদক সেবনের ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করতে। পুলিশের দাবি এর কিছুদিন পর, নয়ন মাদক কারবারে জড়ায়। গেল বছরের প্রথম দিকে নয়নের বাসায় অভিযান চালিয়ে ১২ লাখ টাকার ইয়াবা ও হেরোইনসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর মাদক ও অস্ত্র আইনের জেলে খাটার পর জামিনে বের হয় মাত্র ক’দিন আগে।
বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড রিফাত সম্পার্কে পুলিশ জানায়, সে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিল। ছিল ছিনতাইয়ে যুক্ত। প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের ওপর হামলা, মারধর ছিল রিফাতের কাছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।
রিফাতের সাথে কাজ করতো তারই ছোট ভাই রিশান ফরাজী। এলাকার লোকজন বলছে এরা দু’জন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আত্মীয়।
রিফাত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার নম্বর আসামি শুভঙ্কর শুভ ওরফে চন্দন ওরফে জয়। সে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।

এদিকে তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে মামলার অন্যান্য আসামিদের বিষয়ে তথ্য দিতে রাজি হয়নি পুলিশ।

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান

Leave a comment