গৃহিনী নারীদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় আনবে কে?

নারীর গৃহস্থালী আর বেতনহীন কাজের স্বীকৃতি দিতে আলাদা নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন, উন্নয়ন কর্মীরা। তারা বলছেন, জিডিপিতে একাজ অন্তর্ভুক্তির জুৎসই পদ্ধতি না থাকলেও, জরিপ করে আর্থিক মূল্য পরিমাপ করা উচিৎ। আর সরকার বলছে, গৃহস্থালী ও সেবা কাজের স্বীকৃতি দিকে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

প্রায় ১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশে নারী ৮ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার। এর মধ্যে শ্রমবাজারে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে প্রতি একশো জনে ৩৬ জন নারী।

এর বাইরে বিশাল সংখ্যক নারী দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করছেন ঘর-গৃহস্থালির কাজ আর স্বজনের সেবায়। আবার যারা চাকরি বা ব্যবসা করছেন, তাদেরকেও সময় দিতে হচ্ছে ঘর গৃহস্থালি সামালের কাজে।

পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, মানসম্মত জীবনযাপনের ৫২টি ধাপেই পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে নারীরা। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য সামাজিক প্রেক্ষাপটকে দুষছেন উন্নয়ন কর্মীরা।

তাদের মতে, ঠিক কি সংখ্যক নারী এমন শ্রমে জড়িত, তা জানতে জরিপ চালিয়ে, সে অনুযায়ী আর্থিক মূল্য পরিমাপ করতে পারে সরকার। এতে করে মিলতো নারীর মজুরিবিহীন কাজের স্বীকৃতি।

পরিকল্পনা কমিশনও মনে করে, নানা কারণে এই বিশাল সংখ্যক নারীকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা। তবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে এরইমধ্যে একাধিক প্রকল্প হাতে নেয়ার কথা জানালেন তারা।

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান

Leave a comment