একজন নয়ন বন্ড যেভাবে তৈরি হয়

প্রথমে মাদকসেবী তারপর মাদক কারবারি হয়ে ক্রমে সন্ত্রাসী হয়ে হয়ে ওঠে নয়ন এবং তার প্রধান সহযোগীরা। একবার নিজ বাড়ি থেকেই ১২ লাখ টাকার মাদকসহ তাকে আটক করেছিলো পুলিশ। কিন্তু ৬ মাসের মধ্যেই ছাড়া পায় সে। বরগুনার মানুষ বলছেন, রাজনৈতিক ছত্রছায়া আর প্রশাসনের প্রশ্রয়ে নয়ন ও তার সহযোগীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

রিফাত শরীফ রিশাত হত্যাকাণ্ডের বেশ কয়েকঘণ্টা পর মূল অভিযুক্ত নয়ন, রিফাত ও রিশান ফরাজির বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু সেখানে থেকে কাউকেই আটক করা যায়নি। তল্লাশীর পরই বাড়ি ছেড়ে দেয় পরিবারের সদস্যরা।

এই বাড়ির ভাড়াটিয়া আনোয়ারুল কবীর জানালেন, এইচএসসি পাস করার পর মাদকে আসক্ত হন নয়ন। এরপর হয়ে ওঠেন কারবারি ও সন্ত্রাসী।

এক সময় ছাত্রদলের সাথে জড়িত নয়ন, পরে চলে আসে সরকারি দলের ছত্রছায়ায়। ছেলেবেলায় বাবা হারোনো নয়ন নিয়মিত তার মাকে মারধরও করতো।

আর, নাগরিক প্রতিনিধিরা বলছেন, নয়ন ও তার সহযোগিরা ক্ষমতার রাজনীতির প্রশয়েই বেপরোয়া হয়েছে। তাদের নিয়ে উদাসীন ছিলো প্রশাসনও। এখন তারা বলছেন, যে রাজনতিবিদরা এসব অপরাধীদের প্রশ্রয় দিয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

নাগরিক প্রতিনিধিরা বলছেন, এখন বিপদ মনে করে নয়নের বিরুদ্ধে বললেও এক সময় রাজনীতিবিদরাই নয়নদের অপরাধ ঢাকতে সোচ্চার ছিলেন।

Leave a comment