২ বছরে বাড়তি বোঝা ১ লাখ রোহিঙ্গা শিশু

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন গড়ে জন্ম নিচ্ছে ১৩০টি শিশু। এই হিসেবে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার সাথে গেল ২ বছর যুক্ত হয়েছে আরও ১ লাখেরও বেশি শিশু। রোহিঙ্গারা বলছে যতদিন আল্লাহ দিবে ততদিনই সন্তান নেবে। অথচ ক্যাম্পগুলোতে সরকারি বা বেসরকারি কোনো সংস্থারই পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে কোনো কর্মসূচি নেই। সরকার বলছে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য সেবা দিতেই হিমশিম সরকার; আলাদা কোনো কর্মসূচি নেয়া সম্ভব নয়।

২০১৭ সালের আগষ্টে দেশে যখন রোহিঙ্গাদের ঢল নামে, সেই স্রোতে বেশীরভাগই ছিলো নারী। ১২ থেকে ১৫ বছরেই বিয়ে হওয়া রোহিঙ্গা নারীরা ২৫ বছর পর্যন্ত প্রায় প্রতি বছরই সন্তান জন্ম দেয়। পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে অজ্ঞ এই নারী মনে করে সন্তান হলো আল্লাহর দান।

সেভ দ্য চিলড্রেন বলছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন গড়ে জন্ম নিচ্ছে ১৩০টি শিশু। সেই হিসাবে গেল ২ বছর জন্ম নিয়েছে অন্তত ৯৫ হাজার নতুন মুখ। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করা ৭৮টি আর্ন্তজাতিক, ৯ টি জাতিসংঘের আর ৮০ টি দেশীয় এনজিওসহ প্রায় ২ শটি এনজিওর কেউই পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে কোন কাজ করছেনা।
রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা কঠিক বলছে বেসরকারী সংস্থাগুলো।

রোহিঙ্গাদের বাইরেও দেশে আছে প্রায় ৬ লাখ আটক পড়া পাকিস্তানী । রোহিঙ্গা আর বিহারী মিলে এই দেশের ভূখন্ড ব্যবহার করছে প্রায় ২০ লাখ জনগোষ্ঠি। মন্ত্রী স্বীকার করলরেন জনসংখ্যা বিস্ফারনে এরাও সহায়ক।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো না গেলে তারা মূল জনগোষ্ঠির অংশ হিসাবে কেবল যে দেশের জনসংখ্যা বাড়াবে তাই নয়, এক সময় স্থানীয়রাই সংখ্যালঘু হিসাবে ঝুঁকিপূর্ণ জীবন যাপন করবে বলছেন বিশ্লেষকরা।

 

Leave a comment