ভাসছে গ্রাম ! ভাঙছে স্বপ্ন

গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কমতে শুরু করেছে নেত্রকোণার সোমেশ্বরী, কংস ও উব্দাখালী নদীতে। এছাড়া সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানিও কিছুটা কমেছে। এরই মধ্যে নিচু এলাকার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে গাইবান্ধার বিভিন্ন নদ নদীর পানি বাড়ায় বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বেড়ে যায় নেত্রকোণার সোমেশ্বরী, উব্দাখালি ও কংস নদীর পানি। আর এতে দুর্গাপুরের শ্যামগঞ্জ বিরিশিরি সড়কের কালভার্টের মাটি সরে গিয়ে হুমকির মুখে পড়ে সড়কটি। আর কলমাকান্দায় প্লাবিত হয় ২০টি গ্রাম। ভেসে যায় চিংড়ি ঘের আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় সড়ক।

কিন্তু শনিবার সকাল ৯টার পর থেকে নদীগুলোর পানি কমতে থাকে। বৃষ্টি না হ্ওয়ায় উজানের পানি প্রবাহিত হচ্ছে সুনামগঞ্জের দিকে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এখন দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব।

সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। আর গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কমতে শুরু করেছে চার উপজেলার রাস্তাঘাট ও নিচু প্লাবিত এলাকা থেকে।

তবে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার বিভিন্ন নদ নদীর পানি বেড়ে চারটি উপজেলার প্রায় ১৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদ নদী গুলোর পানি বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও পানি বেড়েই চলেছ।

Leave a comment