নতুন বাজেটে সংকটে পড়বে এসএমই উদ্যোক্তারা

বরাবরের মতো এবারো প্রস্তাবিত বাজেটে বড়রা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সুবিধা পেয়েছেন বেশি, বলছেন হালকা প্রকৌশল শিল্প মালিকরা। অর্থায়ন সংকট থাকা এই এমএমই খাতের উদ্যোক্তারা আশংকা করছেন ভ্যাটের আওতা বাড়ায় তাদের সংকট আরো বাড়বে।

পুরান ঢাকার ওয়ারীর ক্ষুদ্র শিল্প কারখানার মালিক রাজু আহমেদ। কয়েকজন কর্মচারী নিয়েই টিকে আছেন ৩৫ বছর ।

রাজু আহমেদের কারখানায় পণ্য তৈরির খরচ বেশী, অথচ আমদানিকৃত একই পণ্যের দাম কম। প্রতিযোগিতায় টিকতে কষ্ট হলেও ব্যবসা বড় করার ইচ্ছা আছে তার। তবে ব্যাংক ঋনে চড়া সুদে সেটাও সম্ভব নয়।

ওয়ারীতে যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশ প্রস্ততকারক ক্ষুদ্র কারখানার মালিকরাও বলছেন বাজেটে তাদের সহায়তার অনেক কথা শুনেন তারা কিন্তু কাজে তা খুঁজে পাননা।

বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে কাঁচামাল আমদানিতে ৫ শতাংশ আগ্রিম আয় কর এবং আসছে বছর থেকে বিক্রি পর্যায়ে ভ্যাট নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।
এই খাতে দীর্ঘমেয়াদী ঋন দিতে ব্যংকগুলোর অনিহা এবং চড়া সুদের অভিযোগ প্রসঙ্গে এই ব্যাংকার বলছেন তাদের ঋন দিতে হয় ঝুঁকি যাচাই করে।
এমন বাস্তবতায়ও দেশের জিডিপিতে এসব ক্ষুদ্র এবং মাঝারি প্রকৌশল শিল্পের অবদান ৩ শতাংশ। এখাতেন উপর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল ২১ লাখ মানুষ।

Leave a comment