হোলি আর্টিজান হামলার তিন বছর

গুলশানের হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ। মামলায় এ পর্যন্ত ৬০ জনের সাক্ষ্য নেয়া শেষ হয়েছে। এদিকে, দেশে আর কখনও যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানের পরিপাটি এই রেস্তোরা পরিণত হয় এক বিদ্ধস্ত ভবনে। ধর্মান্ধ জঙ্গিদের হামলার শিকার হন ১৭ জন বিদেশীসহ ২০ জন।

গত বছরের ২৩ জুলাই ২১ জনকে আসামি করে মামলার চার্জশিট জমা দেয় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। বিভিন্ন সময়ের অভিযানে এই ঘটনার মূল হোতা বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীসহ আট জঙ্গি নিহত হয়। গ্রেপ্তার হয় আটজনকে।

গেল বছরের ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৬০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বর্বর ওই হামলার তৃতীয় বর্ষপূর্তির দিনেও নিহতেদের শ্রদ্ধা জানালেন পুলিশকর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ। জানালেন জঙ্গিরা এখনও নিশ্চিহ্ন হয়নি।

জঙ্গিবাদ যেন বাংলাদেশে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।