সঞ্চয়পত্রে বাড়তি কর কমতে পারে

সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশের ওপর উৎস কর বাড়ায়, বিপাকে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তারা বলছেন, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হবে তাদের। এদিকে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর বাড়তি কর সমন্বয়ের বিষয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ আছে।

এ কে মোহাম্মদ আলী বকাউল। দীর্ঘ সময় সরকারি চাকুরির পর অবসর নেন দু’হাজার পনের সালে। অবসরের পর পাওয়া অর্থ যা পেলেন, তা দিয়েই বাকি জীবন পাড় করতে, কিনলেন সঞ্চয়পত্র। কিন্তু এতে শেষ রক্ষা হলো না তার।

তার মতোই, মুনাফায় উৎসে কর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে, লাখো সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগকারীদের চোখেমুখে এখন রাজ্যের হতাশা। পহেলা জুলাই থেকে দশ হাজার টাকা মুনাফা তুলতে কর দিতে হবে এক হাজার টাকা। আগে পাঁচশো টাকা দিলেই চলতো। আর এ বাড়তি কর এড়াতেই ব্যাংকের কাউন্টারগুলোতে বাড়ছে ভিড়। যদিও এতেও এড়ানো যাচ্ছে না করের আঘাত।

সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, সঞ্চয়পত্রে খাতে গণবিক্রি বন্ধে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছে তার বেশিরভাগই ইতিবাচক। তবে খুঁজে পাননি উৎসে কর দশ শতাংশ করার কোনো যৌক্তিকতা।

তার মতে, পেনশনভোগী কিংবা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারিদের ওপর করের বোঝা চাপানো ঠিক হবে না। তাই শিগিগিরি কর হার কমানোর ব্যাপারে ঘোষণা আসতে পারে বলে ইংগিত দিলেন তিনি। যদি শেষ পর্যন্ত এমন সুখবর আসে, তাহলে বকাউলের মতো হাজারো মানুষের জীবনে কিছুটা হলেও মিলবে স্বস্তি।