ডিআইজি মিজান কারাগারে

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত ডিআইজি মিজানের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রেপ্তার ডিআইজি মিজানকে মঙ্গলবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির করা হলে এই আদেশ দেয়া হয়। ২৪ জুন ডিআইজি মিজান ও তার স্ত্রীসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করে দুদক।

সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন নাকচ করে ডিআইজি মিজানকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহানগর বিশেষ জজ আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয় পুলিশের রমনা জোনের উপ কমিশনারকে। ডিআইজি মিজানকে রাতে শাহবাগ থানায় রেখে মঙ্গলবার সকালে পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় নেওয়া হয়। পরে হাজির করা হয় জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ ইমরুল কায়েশের আদালতে।

আসামী মিজানের পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করে আদালতকে জানানো হয় ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে সেগুলোর পক্ষে কোনো ধরনের তথ্য উপাত্ত আদালতে জমা দেয়নি দুদক। তবে দুদকের আইনজীবীরা এর বিরোধীতা করেন।

আগামী ২৪ জুলাই মামলার পরবর্তীদিন ধার্য করে অদালত। এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠায় গত বছর জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানুর রহমানকে। এরপর অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে থাকা এক দুদক কর্মকর্তাকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার কথা নিজেই ফাঁস করে আলোচনায় আসেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

২৪ জুন তিন কোটি সাত লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নাসহ ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান এবং ছোট ভাই মাহবুবুর রহমানকে আসামি করে মামলা করে দুদক।

প্রতিবেদক: মহিম মিজান

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান