৪ কেজি চালের দামে এক প্যাকেট ন্যাপকিন!

নারী স্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বল্পমূল্যে স্যানিটারি প্যাড কেনার সুযোগ থাকা জরুরি বলে মনে করেন নারী অধিকার কর্মী ও গবেষকেরা। দেশী-বিদেশী সবধরণের স্যানিটারি ন্যাপকিনের উপর ভ্যাট-কর পুরোপুরি তুলে নেয়ার দাবি জানান তারা।

গৃহকর্মী তাহমিনা উপার্জন করার আগ পর্যন্ত ভাবতে পারতো না কিনে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন। ১৬০ টাকা দিয়ে এক প্যাকেট ন্যাপকিন কেনার চাইতে চার কেজি চাল কেনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কাছে।

একটি অফিসে আয়ার কাজ করা রাহেলাও দাম বেশি বলে স্যানিটারি প্যাড কেনার সামর্থ্য রাখে না।

স্বচ্ছল অনেক নারীর কাছেও যেখানে প্রতিমাসে এক প্যাকেট স্যানিটারি প্যাড কেনা বাড়তি খরচ সেখানে তাহমিনা আর রাহেলাদের কথা বলাই বাহুল্য। এ বছর সরকার স্যানিটারি ন্যাপকিনের কাঁচামাল আমদানীতে ৪০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করে পরে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা আবার প্রত্যাহার করে। যদিও আগের ১৫ শতাংশ ভ্যাট বহাল আছে এখনো।

স্যানিটারি প্যাডের উচ্চ মূল্যের কারণে নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা কঠিন হবে বলে মনে করেন নারী অধিকার কর্মীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উম্মে বুশরার মতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে স্বল্পমূল্যে স্যানিটারি প্যাড সরবরাহের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

স্যানিটারি প্যাড বিলাস দ্রব্য নয়, নারীর স্বাস্থ্য রক্ষায় নিত্য প্রয়োজনীয় একটি পণ্য। এর উপর থেকে সকল প্রকার ভ্যাট-কর প্রত্যাহার করার দাবী সকলের।

প্রতিবেদক: ফারজানা আফরিন

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান