বেকারত্ব ১১ শতাংশ!

দেশে বিপুল যুব জনগোষ্ঠির দক্ষতা অনুযায়ী এখনই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা না গেলে এরা বোঝা হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা বেসরকারী গবেষণা সংস্থা সানেমের। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না করায় একটা প্রজন্ম হারিয়ে যাবার আশংকায় আছে।

বছরের ব্যবধানে দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ থেকে বেড়ে ৭২.৩ বছর হয়েছে। কমেছে শিশু মৃত্যুহার। পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, মৃত্যুহার কমার সর্বোচ্চ সুফল ভোগ করছে বাংলাদশে।

কেননা, ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী, যুব কর্মক্ষম জনগোষ্ঠির সংখ্যাটা ছিল প্রতি একশ’ জনে ২৮ দশমিক ১ ভাগ। কিন্ত বাংলাদশ কার্যত কতটা মনোযোগী এই জনমিতির সুবিধা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই মঙ্গলবার বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের নিয়ে গণসংলাপের আয়োজন করে বেসরকারী গবেষণা সংস্থা সানেম ও অ্যাকশন এইড। যেখানে উঠে আসে যুবদের মধ্যে এখনও বেকারত্বের চক্রে আটকা পড়ে আছে প্রায় ১১ শতাংশ। ২টি মন্ত্রণালয় যুব সমাজের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করলেও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে সঠিক র্কমপরকিল্পনা প্রণয়ণে।

কেউ কেউ জানান দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত হারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে না। ফলে একটা প্রজন্মকেই হারাতে বসেছে এদেশে।

এদিকে জিডিপির সুফল পেতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা। আর শিক্ষা উপমন্ত্রী জানালেন, কেবল কর্মসংস্থানই নয়, দক্ষ শ্রম পরিস্থিতি উন্নয়নে আগামী বাজটে থেকে সামষ্ঠিক কর্মকৌশল প্রণয়ন করবে সরকার।

প্রতিবেদক: কাবেরী মৈত্রেয়

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান