ভোগান্তির নাম বাজেট!

সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশে কর, বহুস্তরে ভ্যাট আদায়ের নতুন আইনসহ বাজেটের বেশ কিছু উদ্যোগ এবার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াবে। এসবের কারণে বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতিও। এদিকে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে, ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের আইনের আওতায় আনা ও সুদের হারকে বাজারভিত্তিক করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া চলতি অর্থবছরের বাজেটের বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে। তারপরও এই বাজেট কতোটা জনবান্ধব বা কতোটা বাস্তবমুখী সে প্রশ্নে এখনো আলোচনা চলছে বিস্তর।

এবারের বাজেট ও অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন বিষয়ে বুধবার বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত এই সেমিনারেও প্রশ্ন উঠে বাজেট জনবান্ধব কিনা। কারণ এবার সাধারণের করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি তবে বেড়েছে ধনীদের সম্পদে করমুক্তির সীমা। এমন করনীতি করফাঁকিও বাড়াতে পারে।

এবার নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হচ্ছে। তাই বিভিন্ন খাতে, বাড়তি হারে ভ্যাটের বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই বইতে হবে বলে মনে করেন বক্তারা।

এবার সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নেবে ৪৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এমন ঋণ নির্ভরশীলতা বেসরকারী বিনিয়োগকে থমকে দেবে, মূল্যস্ফীতি বাড়াবে বলে আশংকা করছেন সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তার মতে ব্যাংক খাতে ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের আইনের আওতায় আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বশাসিত করার পরামর্শ দেন তিনি। তারা বলেন, আর্থিক খাত সংস্কারের জন্য বাজেটে যেসব কথার ফুলঝুড়ি আছে তার সঠিক বাস্তবায়ন অবশ্যই করতে হবে।

প্রতিবেদক: কাবেরী মৈত্রেয়

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান