স্কুলে দুর্নীতি বন্ধের নোটিশ !

ঝিনাইদহের ৯০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ডিজিটাল হাজিরার স্মাট কার্ডের জন্য যে টাকা নেয়া হচ্ছিলো তা বন্ধের নোটিশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দাবি, তারা টাকা নেয়ার কোন নির্দেশনাই দেননি। এদিকে এ ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর টাকা ফেরত পেতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার ৯০৭টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে, ডিজিটাল হাজিরার স্মার্ট কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয়া হচ্ছে, ২৩শে জুন একাত্তর টেলিভিশনে এমন প্রতিবেদন প্রচার হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে জেলা শিক্ষা অফিস। টাকা না তোলার নির্দেশ দিয়ে লিখিত চিঠি, সব উপজেলার শিক্ষকদের কাছে পৌছে দেয়া হয়।

তবে, জেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসক বলছেন, টাকা নেয়ার কোনো নির্দেশ তারা দেননি। শুধুমাত্র স্কুলগুলো ডিজিটাল করার আওতায় আনা হবে এমনটাই জানানো হয়েছিলো।

এদিকে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এরইমধ্যে, অনেকে টাকা ফেরত পেয়েছেন। আর যারা এখনো পাননি,তারা একাজে জড়িত শিক্ষা কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এমন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে টাকা ফেরতের দাবি তুলেছেন সচেতন নাগরিক কমিটির নেতারাও।

ডিজিটাল হাজিরার স্মাট কার্ড দেয়ার নামে ৯০৭টি শিক্ষাপ্রতিস্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৩৫ টাকা করে নেয়া হচ্ছিলো।

প্রতিবেদক : শাহিন সানজিদা

ওয়েব সম্পাদনা : জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়