১০বছরেও নির্মাণ শেষ হয়নি বায়রার ট্রেনিং সেন্টারের

দশ বছরেও শেষ হয়নি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন, বায়রার ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণের কাজ। ২০১০ সালে ভিত্তি স্থাপনের পর সেখানে ট্রেনিং সেন্টারের বদলে নিজেদের জন্য হাউজিংয়ের কাজ শুরু করেন বায়রা সদস্যরা। পরে আবারও, রাজউক বা স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন না নিয়েই ১০ কোটি টাকা বাজেটে, ছয়তলা ট্রেনিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করে নতুন কমিটি।

২০১০ সালে গাজিপুরের কড্ডানন্দন এলাকায় ১৮ বিঘা জমির উপর নির্মানাধীন এই ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কথা ছিলো এই ট্রেনিং সেন্টারে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা হবে।

কিন্তু দুই বছর পর সেখানে ট্রেনিং সেন্টার না করে নিজেদের জন্য আবাসন তৈরির কাজ শুরু করে বায়রা।

পরে ২০১৪-১৫ সালের কমিটি ট্রেনিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করলেও অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ সেটি বন্ধ করে দেয় ২০১৬-১৮ সালের বর্তমান কমিটি। যদিও রাজউক বা স্থানীয় প্রশাসন কারও অনুমোদন ছাড়াই ভবনটি তৈরীর কাজ শুরু করে কমিটি।

বায়রার সেক্রেটারি একাত্তরকে বলেন, ২০১২ সালে যখন অনুমোদন নেয়া হয়েছে তখন গাজিপুর রাজউকের অধীনে ছিলোনা। তাই অনুমোদনের প্রয়োজন পড়েনি।

সিঙ্গাপুরের আদলে তৈরি করা এই ভবনের নির্মাণ কাজ আগামী বছরের শুরুতেই শেষ করার পরিকল্পনা করছে বায়রা।

প্রতিবেদক: ঝুমুর বারী

ওয়েব সম্পাদনা: ফেরদৌসী শর্মী