এবারের আষাঢ় মাস কেবল নামেই

আষাঢ় শেষ হতে চললেও এ মাসে বৃষ্টি হয়েছে হাতে গোনা দু’একদিন। দুঃসহ তাপদাহে পুড়েছে মানুষ ও প্রকৃতি। এবারের বৃষ্টিহীন বর্ষাকালকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, গেলো ৩৬ বছরের মধ্যে এই প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে প্রকট হয়ে ধরা দিচ্ছে।

আষাঢ়েও এবার বৃষ্টির দেখা নেই। আষাঢ়ের বাইশ দিন পেরিয়ে গেলেও বৃষ্টি হয়েছে হাতে গোনা কয়েকদিন। বৃষ্টি নেই তাই প্রকৃতিতে চলছে দাবদাহ। ভ্যাপসা গরমে অস্থির জনজীবন। কখনও কখনও আকাশ খানিকটা মেঘলা হলেও তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হচ্ছেনা। বাদল ধারার বদলে দুক এক মিনিটের ঝিরঝির বৃষ্টিতে তামমাত্রার কোন পরিবর্তন হচ্ছেনা। কেন হঠাৎ আষাঢ়ের এমন পাল্টে যাওয়া রূপ?

দেশের গেলো গত ৩৬ বছরের আবহাওয়া পর্যলোচনা করেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তাঁর মতে এমন দাবদাহ পরিস্থিতি আগেও মোকাবেলা করেছে মানুষ। কিন্তু তা মানুষের সহ্যের মধ্যেই ছিলো। কিন্তু এখন পরিস্থিতি যেনো একটু বেশিই অস্বস্তিকর।

প্রকৃত তাপমাত্রার চাইতে অনুভূত তাপমাত্রাটাও বেশী। যা হবার কথা ছিলো না। বৃক্ষহীন শহর, যন্ত্র নির্ভর জীবন-যাপন আর জলাধারহীন অপরিকল্পতি নগরায়ণকেই এর কারণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবার বর্ষা হবে ক্ষণস্থায়ী। যার প্রভাব পড়বে প্রকৃতিতে; মানুষের জীবনে। হারিয়ে যাবে বর্ষার প্রাকৃতিক অনুসঙ্গ কদম। কারণ কদমের সাথে বর্ষার তাপমাত্রার সম্পর্ক। সেই তাপ চরিত্র হারানো মানেই প্রকৃতির পাল্টে যাওয়া।

প্রতিবেদক: হোসেন সোহেল

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান