সাকিব নিজেই নিজের তুলনা

বিশ্ব ক্রিকেটে এমন ক্রিকেটার আর পাবেনা, সাকিব নিজেই যে নিজের তুলনা। লাল-সবুজের গন্ডি পেরিয়ে সাকিবিয় বন্দনা লেজেন্ডারি সব ক্রিকেটারের মুখে। বাঘা-বাঘা সব ক্রিকেটারদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সাকিব খেলেছেন আপন মহিমায়, বিশ্বকাপ ভেসেছে তার রেকর্ডের বন্যায়। তার এমন কির্তিতে শচীন, হেইডেনের মতো ক্রিকেটারাও আছে ঈর্শায়। সাকিবময় এই বিশ্বকাপটা ফিরে দেখবো এবার।

তিনি এমনই এক ক্রিকেটার, শুরু থেকে শেষ রেকর্ডের বন্যায় সবটাই একাকার। সাকিব আল হাসান, ওয়াল্ডকাপে জ্বলজ্বলে এক নাম। শেষ থেকেই শুরু করা যাক…..

শচীন টেন্ডুলকার, সাকিবের নামটাও এখন এমনই এক অলঙ্কার। একটা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান করা সাকিব তৃতীয় ক্রিকেটার। তবে এক বিশ্বকাপে সাকিবের খেলা ৭টা পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস শচীন ছাড়া আর কারো নাই। বিশ্বকাপের নির্দিষ্ট আসরে ৬শ রানের সঙ্গে উইকেট আছে ১১টা, দুনিয়ায় নেই এমন ক্রিকেটার নেই আর একটা।

বিশ্বকাপে খেলা ৮ ম্যাচে ফিফটি নেই কেবল একটাতে, দুইটাতে সেঞ্চুরি। ক্রিকেটের অভিজাত মঞ্চে তিনি একমাত্র ক্রিকেটার, ৩০ উইকেটের সঙ্গে ১ হাজার রান আছে যার।

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি আর ৫ উইকেট নিলে, যুবরাজ আর কপিল দেবের এলিট ক্লাবে সাকিবের নামটাই মিলে। বিশ্বকাপের এক ম্যাচে ৫ উইকেট আর ফিফটি, দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তার এমন কির্তি।
এমন সব কির্তিতে সাকিব শুরু থেকেই আইসিসির দৃষ্টিতে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সবচেয়ে বেশী সাকিবকেই ব্যবহার করেছেন ব্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বানিয়ে। বিশ্ব মিডিয়াতেও কম জাননি।
সাকিব বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার। অর্জনে তাকে ছোঁবার সাধ্য কার। লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিয়ে বিশ্বকাপটা হয়ে গেলো আক্ষেপের নাম, সাকিবকে দিতে পারেনি যোগ্য দাম। কিন্তু সাকিবতো ক্রিকেটের স্বপ্ন সারথী, ট্রফিটার মনেই হয়তো জেগেছে তার স্পর্শ পাবার আকুতি। এটাইতো সাকিব, আদতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি।