বিদ্বেষে বিষাক্ত যুক্তরাষ্ট্র

বিদ্বেষে বিষাক্ত হয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র। আক্রমণ আর ঘৃণায় জর্জরিত হচ্ছে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা মতের ভিন্নতা। পরিসংখ্যান বলছে, এক বছরে দেশটিতে ঘৃণাজনিত অপরাধ বেড়েছে ৬৪ শতাংশ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে এই ধরনের অপরাধ। এ জন্য বিচারহীনতা আর রাজনীতিকদের উস্কানিমূলক বক্তব্যকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

বাস থেকে নামতেই হামলে পড়ে একদল যুবক; শুরু হয় ইচ্ছেমতো কিলঘুষি আর লাথি। ঘৃণার এমন উগ্রতা ঠেকাতে পাল্টা প্রতিরোধেও রক্ষা পাননি নিউইয়র্কের বাসিন্দা ফাতৌমাতা কামারা।

মুখে আর মাথায় আঘাত নিয়ে, হাসপাতালে ভর্তি হন কৃষ্ণাঙ্গ এই তরুণী। বিচার চেয়ে পুলিশের কাছে গিয়ে উল্টো শুনেছেন, এটাই নাকি স্বাভাবিক।
কৃষ্ণাঙ্গ এই তরুণীর অভিযোগ, পুলিশ ঘটনার তদন্ত পর্যন্ত করতে চায়নি, বরং চেয়েছে ধামাচাপা দিতে। তাই বিচার চেয়ে নিজেই নেমেছেন রাস্তায়। বন্ধু আর সহমর্মী হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকে।

পরিসংখ্যান বলছে ২০১৯ সালের প্রথম পাঁচ মাসে, যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ আর অভিবাসী বিদ্বেষী আক্রমণ ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। যার জন্য রাজনৈতিক পরিস্থিকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

মার্চে প্রকাশিত বর্ণবাদীবিরোধী সংগঠন এন্টি ডিফেমেশন লিগের প্রতিবেদনে বলা হয় উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের প্রচার। ঘৃণাজনিত অপরাধ বাড়ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও। ধর্ম-বর্ণের পাশাপাশি বেড়েছে সমকামিদের প্রতি ঘৃণাজনিত অপরাধও।