বিপুল স্বর্ণালংকার মজুদ অঘোষিত এখনও

সারাদেশে প্রায় ৩ হাজার জুয়েলার এখনো তাদের স্বর্ণ ও অলংকারের মজুদের হিসেব দেয়নি রাজস্ব বিভাগে। সরকারের দেয়া সুযোগ পেয়েও অঘোষিত বা কালো স্বর্ণ সাদা করেনি তারা। তবে জুয়েলারী সমিতি বলছে এদের অনেক এখন ব্যবসা বন্ধ অনেকে আবার না জেনেই স্বর্ণ বৈধ করেনি।

স্বাধীনতার পর থেকেই দেশে স্বর্ণ আমদানি, বিক্রি ও মজুদের নীতিমালা ছিলো না। গেলো অর্থবছরে নীতিমালা হওয়ার পর জুনের শেষে নির্ধারিত ফি দিয়ে স্বর্ণ, রৌপ্য এবং হিরা বৈধ করার সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর।

বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতির হিসেবে প্রথম স্বর্ণমেলায় স্বর্ণ, রৌপ্য ও হিরা বৈধ করতে জুয়েলাররা্ সরকারি কোষাগারে ১ শ ৮৪ কোটি টাকা ফি বা কর জমা দিয়েছেন। রাজধানীর অনেক স্বর্ণালংকার বিক্রেতাই বলছেন নীতিমালা হওয়ায় স্বর্ণের মজুদ বৈধ করে এখন নিশ্চিন্তে ব্যবসা করছেন তারা।
বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতি বলছে নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু হওয়ায় স্বর্ণ ব্যবসায় স্বচ্ছতা ফিরছে। তবে দেশের সব জুয়েলারী তাদের মজুদর স্বর্ণের শতভাগ ফি দিয়ে সাদা করেছনে কিনা তা এখনই বলা অসম্ভব। নভেম্বরে ভ্যাট রিটান দাখিলের সময় পর্যন্ত স্বর্ণ বৈধ করার সুযোগ চায় তার সমিতি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক এই চেয়ারম্যানের অনুমান প্রথমবারও প্রত্যাশা মতো স্বর্ণ সাদা করা হয়নি। তবে এনিয়ে স্বর্ণ ব্যবসাযীদের ভয় দুর করতে সংশ্লিষ্টদের তৎপর হতে হবে।

গক স্বর্ণ মেলায় প্রতি ভরি স্বর্ণ বৈধ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্ধারিত ফি ছিলো ১ হাজার টাকা , রৌপ্যে ৫০ টাকা এবং হিরা প্রতি ক্যারাট ৬ হাজার টাকা।