ধর্ষক হারুন অর রশিদের নৃশংসতার বর্ণনা দিতে বাকরুদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তারাও

সায়মা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে, সংবাদ সম্মেলনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তারাও। ছাদ দেখানোর কথা বলে, ৭ বছরের শিশু সায়মাকে ধর্ষণের পর খুন করে হারুন অর রশিদ নামের এক যুবক। ওয়ারিতে, সায়মাদের বাসার ওপরের তলাতেই থাকতো হারুণ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে, ধর্ষণের পর গলায় দড়ি পেঁচিয়ে সায়মাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে সে। শনিবার রাতে কুমিল্লা থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

ভদ্রবেশী ঘাতক হারুন অর রশিদ ওয়ারীর সাত বছরের ছোট্ট শিশু সায়মার খুনী। সে থাকতো ওয়ারিতে সায়মাদের বাসার ঠিক ওপরের তলায় তার খালাতো ভাইয়ের বাসায়। লিফটে তার সাথে দেখা হলে সায়মাকে সে ছাদ দেখানোর কথা বলে ওপরের তলার নির্জন ফ্লাটে নিয়ে যায়। সেখানেই ধর্ষনের পর গলায় রশি পেচিয়ে সায়মাকে হত্যা করে এই অপরাধী।

সায়মাকে খুন করে কুমিল্লা পালিয়ে যায় হারুন। সিসি ক্যামে তার সন্দেহজনক গতিবিধি এবং ঘটনার পর থেকে তার অনুপস্থিতি; সব মিলে তাকেই মূল অপরাধি বলে চিহ্নিত করে পুলিশ। তাকে ধরতে অভিযানে নামে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টীম। অবশেষে কুমিল্লা থেকে ধরা পড়ে হারুন। সংবাদ সম্মেলনে সায়মা হত্যার বর্ণনা দিতে বার বার বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারাও।

নিষ্পাপ একটি শিশুকে এমন পৈশাচিক কায়দায় ধর্ষন ও খুনের ঘটনায় ছয়মাসের মধ্যে খুনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তার বাবা। এদিকে সায়মা হত্যার বিচারের দাবীতে তার স্কুল সিলভারডেলের শিক্ষার্থীরা ওয়ারীতে বিক্ষোভ করেছে। ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছে তারাও।

প্রতিবেদক: ইশতিয়াক ইমন

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান