সায়মার স্মৃতি বুকে জড়িয়ে কাঁদছে বাবা-মা

পরী সেজে ঘুরে বেড়াতে চাইতো যে সায়মা, সে আজ অজানা ভূবনের বাসিন্দা। সন্তানহারা মায়ের আহাজারি তাই কিছুতেই থামছে না।পার্টি ড্রেস, গাউন আর সুন্দর পোষাকে সেজেগুজে ঘুরে বেড়াতে চাইতো প্রাণোচ্ছল এই শিশুটি।

বয়স এখনও সাত হয়নি। আসছে নভেম্বরের ৩০ তারিখ পূর্ণ হতো মেয়ের সাত বছর। ছোট্ট সেই পরীটার এমন মৃত্যু কিভাবে মেনে নেবেন তার বাবা মা। এই মৃত্যু তো কোন দুর্ঘটনা; দুরারোগ্য কোন ব্যধিতেও নয়। শিউরে ওঠা এমন মৃত্যু আর বেদনার পাহাড় কিভাবে পুরোটা জীবন সয়ে বেড়াবে এই পরিবার ?

চঞ্চল খেলা পাগল সায়মা মাতিয়ে রাখতো সারা বাড়ি। স্কুলেও সহপাঠী-শিক্ষক সবার কাছেই প্রিয় ছিল নার্সারীতে পড়া সায়মা। তাই চোখের জল বাধ মানছেনা স্কুল শিক্ষকদেরও।

নিষ্পাপ একটি শিশুকে এমন নিষ্ঠুর কায়দার যারা হত্যা করে; তাদের দ্রুত এবং দৃষ্টান্ত সৃষ্টির মতো সাজা দাবি করেছেন সায়মার স্বজনরা। যাতে আর কেউ এমনটা ঘটাবার সাহস না পায়।

সায়মার বাবা মার মতো সবার মনে একটাই প্রশ্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে ফুটফুটে শিশুদের সুন্দর শৈশব কেড়ে নেয়া হচ্ছে না তো !

প্রতিবেদক: ফারজানা আফরিন

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান