শিশুর শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করেছে সিসিমপুর

২০২০ সালের এপ্রিলে সিসিমপুর কার্যক্রম পূর্ণ করতে যাচ্ছে পথ চলার ১৫ বছর। এই উদযাপন ঘিরে নেয়া হয়েছে বছরব্যাপী নানা কার্যক্রম। শিশুদের আরো স্বাবলম্বী, সরল এবং সদয় করার জন্য সিসিমপুর কাজ করছে। রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় ‘গণমাধ্যমে সিসিমপুর’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানের।

সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম তুলে ধরেন সিসিমপুরের ১৫ বছরের কার্যক্রম এবং আগামীর পরিকল্পনা। জানানো হয়, বিটিভি ও আরটিভির পর এবার দুরন্ত টিভিতে ১৪ জুলাই থেকে প্রচারে আসছে শিশুবিষয়ক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সিসিমপুর’। এটি একটি প্রাক প্রাথমিক সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম, যা টুকটুকি, ইকরি কিংবা শিকু’র মতো চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়ে শিশুর শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করেছে।

শিশুতোষ এই কার্যক্রমটি ৩ থেকে ৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের বিকাশ, জীবন-দক্ষতার উন্নয়ন, মৌলিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের জন্য তৈরি হয়েছে, যেখানে শিশুদের পাশাপাশি তাদের পিতা-মাতা, যত্নকারী এবং শিক্ষকেরাও অন্তর্ভূক্ত আছেন। সিসিমপুর কার্যক্রমটি শিশু ও অভিভাবকদের কাছে ভাষা ও বর্ণ; পঠন দক্ষতা; গণিত; স্বাস্থ্য; পরিবেশ; জেন্ডার-সমতা; পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চর্চা; ভূমিকম্প; পানি ও রাস্তা পারাপার সংক্রান্ত নিরাপত্তা; শিশুদের ইনজুরি প্রতিরোধ; সামাজিক আচার আচরণ ও মূল্যবোধ; দেশীয় শিল্প-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ইত্যাদি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরতে সচেষ্ট থাকে। শিশুবিকাশ বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিশুশিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, লেখক, অডিও-ভিজুয়াল পরিচালক, পাপেটিয়ার, সংগীত পরিচালক, অ্যানিমেটর, প্রামাণ্যচিত্র পরিচালক, প্রযোজক প্রমুখের সমন্বয়ে নির্মিত হচ্ছে জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানটি। ২০০৪ সালে ইউএসএআইডি বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে এর পথচলা শুরু।

ওয়েব সম্পাদনা : সালমা সাবিহা খুশি