ওয়ার্নারে ভয় ইংল্যান্ডের

খেলার ভেতরেও থাকে খেলা। স্পট লাইটের আলো কেড়ে নিজেকে ছাড়িয়ে যাবার চেষ্ট। তারকা থেকে মহাতারকা। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে এমন অনেক ঘটনা। কখনো কখনো যা ধ্রুবতারার মতো জ্বলে। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে কে হবে সেই তারা। কার উপর থাকছে স্পট লাইট।

ক্রিকেটের জন্মদাতাদের আজন্মা আক্ষেপ, কখনো ছুয়ে দেখা হয়নি সোনালী ট্রফিটা। তবে ঘরের মাঠে সুযোগটা হাতের নাগালেই। আর দুই সিঁড়ির দূরুত্ব, পাড়ি দিলেই ইতিহাস।

এই স্বপ্ন যাত্রায় ইংরেজদের ব্যাটিংয়ের কান্ডারী জেসন রয়। ইংলিশ ওপেনারের ব্যাটে দারুন ছন্দ। জনি বেয়ারস্টোকে নিয়ে ওর ওপেনিং পেয়ার যেকোন প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের।

বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ থেকে ৬৮ গড়ে রান করেছেন ৩৪১ । ১১৪ স্ট্রাইক রেট ১সেঞ্চুরিরর সাথে হাকিয়েছেন তিন হাফ সেঞ্চুরি।

রয়ের ব্যাটেই ছন্দ খুজে পায় ইংল্যান্ড। মাঝে ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে গেছেন। ইংলিশিরাও হারিয়েছে পথ। ৪ ম্যাচ বাদে ফিরে, খেইহারে দলকে তুলে আনেন সেরা চারে। গ্রুপ পর্বে অজিদের বিপক্ষে ম্যাচটা মিস করেছেন। তাই সেমির মঞ্চে তাই ষোল আনা বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত জেসন রয়।

উত্তান পতনের এক সেরা গল্পের রচয়িতা ডিভিড ওয়ার্নার। ওর যুদ্ধটা যেন নিজের সাথেই। নিজেকে প্রমানের নেশায় ছাপিয়ে গেছেন সবাইকে।

নিষেধাজ্ঞায় যাবার আগে যেখানে শেষ করেছেন, ওর প্রত্যাবর্তনটাও সেখান থেকে। বিশ্বকাপে অজি স্কোয়াড়ের সবচেয়ে ধারাবাহিক ওয়ার্নারের ব্যাট। ৯ ম্যাচে থেকে প্রায় ৮০ গড়ে বিশ্বকাপের দ্বি

তীয় সর্বোচ্চ ৬৩৮ রান । যেখানে ৩ সেঞ্চুরির সাথে হাফ সেঞ্চুরি আছে ৩টা।

সেরা ছন্দে থাকা ওয়ার্নার যে কতটা ভয়ংকর তা ভালই জানা ইংলিশদের। বিগ ক্ল্যাশে ইংল্যান্ডের তাই মূল মাথা ব্যাথার কারণ ডেভিড ওয়ার্নার।

 

প্রতিবেদক: ইমরান হোসাইন

ওয়েব সম্পাদনা: শম্পা বিশ্বাস