এজবাস্টনে ‘অ্যাশেজের’ গন্ধ!

বিশ্বকাপ আসরই হতে হবে, এমনটা নয়। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই তুমুল উত্তেজনা, দর্শকদের বাড়তি আগ্রহ। আর সেখানে বিশ্বকাপের আসর হলে তো কথাই নেই! আজ এজবাস্টনে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া। সেমি ফাইনালের মঞ্চ যেন অ্যাশেজের আমেজ।

ক্রিকেটে বরাবরই অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ক্রিকেট মাঠের লড়াই দুই দেশের জন্য শুধু টুর্নামেন্টে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া-না যাওয়াই নয়, জাতিগত অহমিকা আর মর্যাদাবোধের লড়াইয়েরও।

বেন স্টোকস তো বলেই ফেলেছেন তার ক্যারিয়ারের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও নরম সুরে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে গলা চড়িয়ে বলে ফেলেছেন, এজবাস্টনে তারা ২৬ বছর জিতেনি ঠিকই, কিন্তু ইতিহাস লেখা হয় তো ভাঙার জন্যই।

তারও আগে লড়াইয়ের ঝাঁজ বাড়িয়েছেন নাথান লায়ন, জো রুট, লিয়াম প্লাংকেট, পিটার হ্যান্ডসকম্বরাও। তবে অজি অফস্পিনার লায়নের কথারই প্রতিধ্বনি হচ্ছে বেশি। তিনি বলেন, চাপ ইংল্যান্ডের। আমাদের সামনে অর্জনের সুযোগ, কিন্তু ওদের জন্য বিসর্জনের।

ওয়েব সম্পাদনা : জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়