১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা,লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম গাইবান্ধাসহ ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিবন্দি হচ্ছে একের পর এক এলাকা। বেড়ি বাঁধ ভেঙে বিপর্যস্ত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এরই মধ্যে নিরাপদ এলাকায় আশ্রয় নিতে শুরু করেছে মানুষ।

বন্যায় সুনামগঞ্জে তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়রাবাজার, জামালগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

কুড়িগ্রামে ধরলা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে গত চব্বিশ ঘন্টায় ৪৩ ও ৪৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

নেত্রকোনার সোমেশ্বরী ,উবধাখালী,ও কংশ নদীর পানি বেড়ে ১৭ ইউনিয়নের পাঁচশোরও বেশি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বারহট্টার চিরাম ইউনিয়নের সিংগার বিল বেরি বাঁধের দুইটি পয়েন্ট ভেঙ্গে পানি ঢুকছে লোকালয়ে।

ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বেঁড়িবাধের ১০ মিটার ভেঙ্গে ভেসে গেছে ৫০ টিরও বেশি গ্রাম।

গাইবান্ধার তিস্তা,যমুনা,ঘাঘট করতোয়া নদী এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়েছে। সদর,সুন্দরগঞ্জ,ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি ২০ সেন্টিমিটার এবং তিস্তা পানি ১১, সেন্টিমিটার বেড়েছে।

লালমনিরহাটের ধরলা ও তিস্তায় পানি বেড়ে, পানি বন্দি প্রায় ৫ হাজার মানুষ।

বন্যা কবলিত প্রতিটি এলাকায় যোগাযোগের সংকটে পড়েছে মানুষ।

প্রতিবেদক: বন্যাকবলিত স্থানের সংবাদ প্রতিনিধিগণ এবং শিল্পী মহলানবীশ

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান