বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

উত্তরাঞ্চলের ১৬টি নদ-নদীসহ সিলেট অঞ্চলের বেশিরভাগ নদ নদীর পানি বইছে বিপদসীমার ওপরে। এতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বেশিরভাগ এলাকায়। গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে নতুন করে ভেঁঙে গেছে বাধ।

ফাটল ধরেছে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাইবান্ধা অংশে। রোববার সকাল থেকে বাঁধের ৪০ কিলোমিটারের বিভিন্ন জায়গা ফুটো হয়ে ঢুকতে শুরু করেছে পানি ।

তিস্তার পানির চাপে ভেঙে গেছে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলা থেকে গড্ডিমারী ইউনিয়নের পাকা সড়ক। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ইউনিয়নের ৩০ হাজার মানুষ।

কুড়িগ্রামের চিলমারী হরিপুর এলাকার বাঁধ ভেঙে ব্রহ্মপুত্রের পানিতে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে হরিপুরের ১৫টি গ্রাম। একইসাথে নদী ভাঙনে নি:শ্ব উপজেলার প্রায় ৭২৫টি পরিবার।

কদিন ধরেই পানিবন্দি জামালপুরের ৪ উপজেলার প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। পানি উঠেছে বেশকিছু আঞ্চলিক সড়কে।

সোমশ্বরী বাদে নেত্রোকোণার বাকি সব নদ-নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপরে। এতে বারহাট্টা, কলমাকান্দা ও সদর উপজেলার বেশকিছু ইউনিয়নে পানি ঢুকেছে নতুন করে।

এখনও মেরামত হয়নির মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের রামপাশা এলাকার ধলাই নদীর বাঁধের প্রায় ৭০ ফুট ভাঙা অংশ।

খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদীর পানি কমলেও অপরিবর্তিত মাইনী নদীর পানি। বন্ধ দীঘিনালার সাথে রাঙ্গামাটির লংগদু এবং মেরুং ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ।

প্রতিবেদকঃ শাহরিমা বৃতি

ওয়েব সম্পাদনা : সালমা সাবিহা খুশি