এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির হাল কে ধরবেন?

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। জীবদ্দসায় জন্ম দিয়েছেন নানা ঘটনার। বরাবরই ছিলেন আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে। স্বৈশাসক থেকে শুরু করে ৩৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে, ক্ষমতা আর ভোটের রাজনীতির হিসেবে ছিলেন ফ্যাক্টর।

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলেছিলেন জাতীয় পার্টি। সকাল-বিকেল সিদ্ধান্ত বদলের জন্য তিনি ছিলেন আলোচিত। নিজের স্ত্রী রওশন এরশাদকে প্রেসিডিয়াম সদস্য থেকে বাদ দেয়া, পরে কো-চেয়ারম্যান করা, প্রতি দুই থেকে তিন বছর পর পর মহাসচিব বদলানোসহ কমিটির সদস্যদের বাদ দেয়া বা যুক্ত করে বরাবরই দলের ভিতরে-বাইরে সব সময় ছিলেন আলোচনায়।

এরশাদ সব শেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রওশন এরশাদকে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা করেছেন এবং ওই পদ থেকে ছোট ভাই জি এম কাদেরকে সরিয়ে দিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেন।

কিন্তু ইতিহাস বলে এর আগে দলে ভাঙ্গন হয়েছে তিনবার। আনোয়ার হোসেন নেতৃত্বে একবার আরেকবার নাজিউর রহমান নেতৃত্বে। এছাড়া কাজী জাফর ডা.আব্দুল মতিন তো আছেনই ভাঙ্গার এই ইতিহাসে। দলের অভ্যন্তরীন কোন্দলও প্রকট সব সময়ই।এবারও কি তাই হবে?

তবে এরশাদের রাজনৈতিক সময়কার সাক্ষী এমন অনেকই মনে করেন এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব আবারো সংকটের পড়বে। এমনকি দরটি হারাতে পারে তার রাজনৈতিক কার্যকারিতা।এরশাদ মারা যাবার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এক বির্তকিত রাজনৈতিক অধ্যায়ের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এরশাদের এই দল জাতীয় পার্টি একক নেতৃত্বে চলবে নাকি আবারো ভাঙ্গনের মুখে পড়বে তা এখন সকলের আগ্রহের বিষয়।

এরশাদ মারা যাবার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এক বির্তকিত রাজনৈতিক অধ্যায়ের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এরশাদের এই দল জাতীয় পার্টি একক নেতৃত্বে চলবে নাকি আবারো ভাঙ্গনের মুখে পড়বে তা এখন সকলের আগ্রহের বিষয়।

প্রতিবেদক: তানিয়া রহমান
ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান