বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সঙ্কট

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। যে যা পেরেছেন সঙ্গে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন শহর রক্ষা বাঁধে। দুর্গত এলাকাগুলোতে বাড়ছে রোগ-বালাই। সেইসাথে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

বাঁধ ভেঙে হুহু করে ঢুকছে হালাই ও ঘাঘট নদীর পানি। একদিন আগেও পানি ছিলোনা যেই গাইবান্ধা পৌর শহর, সেখানেই এখন কোমর পানি। যে যা পেরেছেন সঙ্গে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন শহর রক্ষা বাঁধে। জেলায় খোলা হয়েছে ৮৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র। দেখা দিয়েছে নদী ভাঙনও।

কুড়িগ্রামের রৌমারীর চক্তাবড়ি এবং নাগড়াকুড়া বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে এখনও ঢুকছে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রর পানি। ডুবেছে ক্ষেত-খামার, আঞ্চলিক সড়ক।

মঙ্গলবার ভোর থেকে নেত্রকোণার বারহাট্টা, সদর ও পূর্বধলার দশটি গ্রামেও পানি ঢুকেছে। পুরো জেলায় বন্যার কবলে একলাখের বেশি মানুষ।

কদিনের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত ও চর্মরোগ।

মৌলভীবাজারের মনু, ধলাই ও কুশিয়ারা নদীর বাঁধের বিভিন্ন ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে ডুবেছে রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদর উপজেলার ৭০টি গ্রাম।

জামালপুরে মেলান্দহ-মাহমুদপুর সড়ক ডুবে বিচ্ছিন্ন উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ। রেল লাইনে পানি ওঠায় বন্ধ দেওয়ানঞ্জ-ইসলামপুর ট্রেন চলাচল।

পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার হাওড়া নদীর বাঁধ। ব্যাহত হচ্ছে আখাউড়াস্থল বন্দরের ইমিগ্রেশনও।

এদিকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কুশিয়ারার বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে ডুবেছে উপজেলার ৪০টি গ্রাম।

প্রতিবেদক: শাহরিমা বৃতি

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান