উত্তর-মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি খারাপের দিকে

দেশের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও, পানি এখনো বিপদসীমার ওপরে। তবে উত্তর-মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি খারাপের দিকে। পানিবন্দি পাঁচ লাখ মানুষ। রেল লাইন পানিতে ডুবে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে গাইবান্ধার সাথে ঢাকার রেল যোগাযোগ। পশ্চিমাঞ্চলে পানি বাড়া অব্যহত রয়েছে। সহকর্মীদের তথ্য ও ছবি নিয়ে প্রতিবেদন।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপূত্র ও ধরলার পানি কমতে শুরু করলেও টানা নয়দিন ধরে পানিবন্দি মানুষ রয়েছে চরম দুর্ভোগে। ব্রহ্মপূত্র ও ধরলা নদীর পানি এখানো বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে বইছে।

এদিকে নওগাঁর মান্দায় আত্রাই নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি।

টাঙ্গাবইলে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কটির ৫০ মিটার ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রবল বেগে পানি ঢুকে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, ভূঞাপুরসহ পাঁচ উপজেলার মানুষ পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ।

জামালপুরে যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে কমলেও ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাই, জিঞ্জিরাম, দশানীসহ সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। ভেসে গেছে ৬১ টি ইউনিয়ন ও ৭ টি পৌরসভা।

পানিবন্দি ৫ লাখ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও পশু খাদ্যের সংকট। ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

এদিকে পুরোনো ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ায় শেরপুরে বন্যার আরও অবনতি হয়েছে। এতে রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর,শিবালয়, ঘিওর, হরিরামপুর ও সাটুরিয়া উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

দেশের উত্তরও পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও, মধ্যাঞ্চলে পানি বেড়েছে। তলিয়ে যাচ্ছে দোহারের মৈনট ঘাট।

প্রতিবেদক: শিল্পী মহলানবীশ

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান