জুন-জুলাইয়ে এডিস মশা অধিক জীবাণু ছড়াবে

আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু আক্রমণ আরো ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করছেন মশা গবেষকরা। তারা বলছেন, দুই সিটি কর্পোরেশনের স্প্রে করা বিষে মশা মরছে না।। একই সাথে ওরা জীবাণু প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মশা মারতে সকল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালে মারা গেছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ জন। আর, ঢাকা শিশু হাসপাতালে প্রাণ গেছে ২ শিশুর।
ঢাকার প্রায় সবগুলি হাসপাতালেই একই চিত্র। দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

সম্প্রতি আইসিডিডিআরবির গবেষণা বলছে, দুই সিটি কর্পোরেশন এডিস মশা মারতে স্প্রে করা প্রধান ৩ টি মিশ্রিত কীটনাশকের মধ্যে মাত্র ১টিতে আংশিক পরীক্ষা করা হয়।বাকী ২টি মিশ্র্রিত কীটনাশক নিয়ে কোন গবেষণাই হয়নি

শুধু কীটনাশকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী হয়ে হয়ে ওঠেনি এডিস মশা। কয়েক বছরে ডেঙ্গু ভাইরাস ১ এবং ২ থেকে পেরিয়ে এখন ছড়াচ্ছে ভাইরাস-৩। যে ভাইরাস দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।

আগামী দুমাস এডিস মশার বংশ-বিস্তার রোধে দুই সিটি কর্পোরেশনের সাথে কাজ করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আর, এখনকার পরিস্থিতিতে বিবেচনায় ঢাকা সকল হাসপাতালকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জুন- জুলাইতে এডিস মশা অনেক বেশি জীবাণু ছড়ানোর আপক্ষা করছে। এই তথ্য জানিয়ে দুই সিটি কর্পোরেশনকে মশা-মারতে আরো উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কীটতত্ত্ববিদ।

প্রতিবেদক: ডলার মেহেদী

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান