ভাল নেই বানভাসি মানুষেরা

যমুনার পানি কমতে শুরু করলেও ভালো নেই বানভাসি মানুষ। গাইবান্ধা-জামালপুরের কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে দূর্ভোগে দিন পার করছেন। দুই জেলার বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে ত্রাণ ও দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহ করা হয়েছে, প্রয়োজনে আরো দেয়া হবে। আর পানি সম্পদ উপমন্ত্রী বলেছেন, বাঁধ নির্মাণসহ বন্যায় দুর্ভোগ ঠেকাতে এক গুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।

যমুনার পাড়ে যাদের বাস, তাদের কাছে বন্যা এখন বাৎসরিক দূর্ভোগ।।প্রতি বছরই ভারতের জলে তাদের ঘর ছাড়া হওয়া এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।।গাইবান্ধায় পানি কমতে শুরু করলেও এখনো সীমানাহীন বানের জল।।ঘর হারিয়ে বাধ্য হয়ে কয়েকশো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বালুচরে।।

যে যেভাবে পারছে দিন কাটাচ্ছে খেয়ে কেউবা অর্ধহারে।সামর্থ্যবানরা ঘর তৈরি করতে পারলেও অনেকের ঠিকানা ছাপার তাবুতে। কোরবানী ইদের জন্য প্রস্তুত রাখা গবাদিপশু ভুগছে খাবার সংকটে।।

গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার ৭টি ইউনিয়ন এখনো পানির তলে।শুক্রবার বন্যা পরিস্থিতি ও বান ভাসি মানুষ’কে দেখতে আসেন ত্রান প্রতিমন্ত্রী ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী। বলেন, চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।বানভাসির মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে সর্বোচ্চ ব্যবস্হা নিয়েছে সরকার।।ত্রান ও পূর্ণভাসনের সরকারের পরিকল্পনা এরইমধ্যে বাস্তবায়ন হতে শুরু করেছে।

স্হানীয় সাংসদ ও ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বি জানান, গুচ্ছ গ্রাম পরিকল্পনার আওতায় বন্যার্থ মানুষের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করবে সরকার।

পরে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে জামালপুর যাওয়ার কথা থাকলেও বৈরি আবহাওয়ার কারণে নিচে নামতে পারেনি মন্ত্রীদের বহনকারী হেলিকপ্টার।।

চলতি সপ্তাহে টাঙ্গাইল,কুড়িগ্রাম, কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলার বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাবেন তারা।।

প্রতিবেদক: আরেফিন শাকিল

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান