বাঁধ ভেঙে প্লাবন

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে টাঙ্গাইলের পাঁচটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল। বন্ধ রয়েছে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক যোগাযোগ। এরইমধ্যে বাঁধটি মেরামতে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী।

যমুনার তীব্র ঘূর্ণি স্রোত ভেঙে নিয়ে গেছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৫০ মিটার।

বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত যমুনার এই বাঁধের টেপিবাড়ি এলাকায় ভাঙনের পর একে একে প্লাবিত হয় টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, দেলদুয়ার, নাগরপুর ও গোপালপুর উপজেলার ১১১টি গ্রাম। আর বাঁধটি সড়ক হিসাবে, ব্যবহার হওয়ায় মুহূর্তেই বন্ধ হয়ে যায় ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক যোগাযোগ।

শুক্রবার সকাল থেকে বাঁধটি মেরামতে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আশ্বাস দেন পানি সম্পদ মন্ত্রণায়লের সচিব এবং জেলা প্রশাসক।

ভেঙে যাওয়া এই বাঁধের সমান্তরালে গাড়াবাড়ি থেকে স্লুইচ গেট পর্যন্ত যমুনার আরেকটি বাঁধ ছিলো, দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত সেই বাঁধটি যথাসময়ে মেরামত করা হলে এই বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হতোনা বলে জানান পৌর মেয়র।

হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ রয়েছে জেলার ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ডুবে আছে ১হাজার ৯১২ হেক্টর ফসলি জমি এবং সবজি ক্ষেত।

প্রতিবেদক: এম এ রাজ্জাক এবং শারিমা বৃতি

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান