‘শয়তানের প্রতিনিধি না, ট্রাম্প আস্ত শয়তান’

বদলে যাচ্ছে পশ্চিমা প্রচারণার গল্পে একপেশে পরিচয়ের ইরান। ইসলামি বিপ্লবের চল্লিশ বছর পার হওয়া এই দেশটিতে কট্টর ধর্মীয় মত কমে আসছে বলে জানিয়েছে বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। একুশ শতকের বিশ্বায়নে উদার পন্থায় ঝুঁকছেন তরুণরা। তবে যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের দ্বন্দ্বে এক হয়েছে নতুন আর পুরনো প্রজন্মের ব্যবধান।

পশ্চিমা গণমাধ্যম, সিনেমা কিংবা বই, ইরান মানেই কট্টর আর শ্বাসরুদ্ধ এক দেশ, ভিন্নমত দমন আর গোপনীয়তার এক বদ্ধ কুঠুরি। নারী স্বাধীনতাও শূন্যের কোঠায়। পশ্চিমা চোখ যেভাবে দেখায় ইরান কী সত্যিই তাই? এমন প্রশ্নও ঘুরেফিরে বারবার।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন এক গল্প। যেখানে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছে উদার মত। আছে পপ গানের ছন্দে দোল খাওয়া মানুষ। যদিও গানের সাথে কোমর দোলানো এখনো নিষেধ এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রে।

১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর জন্ম দেয়া তরুণদের বেশিভাগই উদার পন্থায় বিশ্বাসী। এ নিয়ে কট্টরপন্থিদের সাথে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আছে বিরোধ।

তবে কট্টর কিংবা উদার, মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী সবাই। কিন্তু আগের প্রজন্ম এই পরিস্থিতির জন্য এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেও, নতুনরা দুষছেন ইরানকেও।

পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় ইরানকে কাবু করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের একরোখা এই অবস্থানে আরো বেশি মজবুত হচ্ছে ইরানের ঐক্যের ভীত।

প্রতিবেদক: নাজমুল রানা

ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান