“নিজের এনজিওর ফান্ডের জন্য সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের প্রচার প্রিয়া সাহার “

নিজের এনজিওর ফান্ড যোগাড়ে, দীর্ঘদিন ধরেই পিরোজপুরের নাজিরপুরের একটি চর দখলের দ্বন্দ্বকে, সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব হিসেবে প্রচার চালিয়ে আসছিলেন প্রিয়া সাহা। একই কারণে প্রিয়া তার নিজের ভাইয়ের পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে, সেটিকেও সাম্প্রদায়িক হামলা বলে প্রচার চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নাজিরপুরের মানুষ। তাদের দাবি, নাজিরপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হবার মতো ঘটনা এর আগে কখনই ঘটেনি।

একটি চর নিয়ে পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার চরবানিয়ারি আর বাগেরহাট জেলার চিতলমারির বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব; যাতে জড়িত হিন্দু-মুসলমান সবাই। এই দ্বন্দ্বে প্রায়ই হামলা-নির্যাতনের শিকার হন চরবানিয়ারির হিন্দু-মুসলমান সব ধর্মের মানুষ। এই দ্বন্দ্ব কেবলই চর দখল নিয়ে, এর সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোন সম্পর্ক নেই।

চরবানিয়ারির বাসিন্দা প্রিয়া বালা বিশ্বাস, বিয়ের পর এখন প্রিয়া সাহা। তিনি দলিত শ্রেণির মানুষ নিয়ে কাজ করে এমন এনজিও “সারি”র নির্বাহী পরিচালক। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিজের এনজিওর ফান্ড যোগাড় করতে চরের দ্বন্দ্বকে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের প্রচার চালান প্রিয়া।

গেল মার্চে চরবানিয়ারিতে প্রিয়ার বড় ভাই সাবেক যুগ্মসচিব জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাসের একটি পরিত্যক্ত ঘরে রহস্যজনক আগুন লাগে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রিয়া নিজেই ওই ঘরে আগুন লাগিয়ে একে সাম্প্রদায়িক হামলা বলে প্রচার করেছে।
নাজিরপুর উপজেলায় কখনোই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার মত কোন ঘটনাই ঘটেনি বলে দাবি স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীদের।

স্থানীয় সংসদ সদস্যও বলছেন, এই উপজেলায় হিন্দু-মুসলমান সহাবস্থান প্রশংসনীয়।

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেন প্রিয়া সাহার দুই মেয়ে। প্রিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ আদায়ের জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বদনাম করেছেন বলে মনে করেন নাজিরপুরের মানুষ।