কমছে বন্যার পানি, স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষয় ক্ষতি

সারাদেশের নদীর পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকায় জামালপুর, গাইবান্ধা ও মানিকগঞ্জে বেড়েছে রোগ বালাই। বেশিরভাগ এলাকায় রয়েছে ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ। এদিকে সিরাজগঞ্জের দুর্গত এলাকার কোরবানির পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারী।

কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি, স্পষ্ট হতে শুরু করেছে ক্ষয় ক্ষতি। রাস্তাঘাটই শুধু নয় ভেঙে গেছে ঘরবাড়ি, ভেসে গেছে দৈনন্দিন ব্যবহার্য সবকিছু।

এখনও পানি নামেনি জামালপুরের বিভিন্ন উপজেলার ৬২ টি ইউনিয়ন ও ৮ টি পৌরসভা থেকে। দীর্ঘদিন পানিতে থেকে এখন নানা রোগে ভুগছেন দুর্গতরা। এই জেলার ৭ হাজার ২৫০টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ৪৫ হাজার ৫৮০টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত। বন্ধ ১ হাজার ১২০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

সপ্তাহখানেক হলো গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার একেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে গাদাগাদি করে থাকছেন পাঁচশ থেকে এক হাজার মানুষ। জেলার মোট ১৮৪ টি আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও বাঁধ ও উচু জায়গায় এখনও আছেন কয়েক লাখ মানুষ। গেলো সাতদিনে এই জেলায় বন্যার পানিতে ডুবে, সাপের কামড়ে এবং বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন আট জন।

এদিকে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে লক্ষাধিক পশুর পরিচর্যা চলছিলো সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাঘাবাড়িতে। যা নিয়ে এখন বিপাকে খামারীরা।

মানিকগঞ্জের কালিগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদীর পানি বাড়েনি নতুন করে। তবে এখনও পানিবন্দি জেলার ৫০হাজার মানুষ।

টাঙ্গাইলে যমুনা তীরের ৩৪ ইউনিয়নের প্রায় ২১০টি গ্রাম এখনও পানিতে তলিয়ে আছে সাড়ে ৬শ হেক্টর ফসলি জমি। এই জেলাতেও ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ কদিন ধরে।

প্রতিবেদক: শাহরিমা বৃতি
ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান