মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন শাহপরীর দ্বীপ

সাগরের পানির তোড়ে ভাঙতে ভাঙতে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ। আর এতে ঝুঁকির মুখে পড়েছেন দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষ। তবে দ্রুত বিচ্ছিন্ন সড়কটি মেরামত করার আশ্বাস দিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা।

এক সময় শত শত একর জমি থেকে উৎপাদিত লবণ, দুচোখ জোড়া ঘের, জেলেদের জালে শিকারের সাগরের মাছ আর মিয়ানমারের গরু ভর্তি ট্রাক চলে যেতো শাহপরীর দ্বীপ থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। সেই সময় নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এসব খাত থেকে বছরে শত কোটি টাকা আয় করতো এখানকার মানুষ। কিন্তু সেইদিনগুলো এখন দ্বীপবাসীর জন্য শুধুই অতীত।

দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, গত সাত বছর ধরে দ্বীপ থেকে টেকনাফ পর্যন্ত চলাচলের একমাত্র সড়কটি ভেঙ্গে গেছে। যে কারণে দ্বীপটি মুল ভূখন্ড থেকে এখন পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। তারা আরো জানান, সাগরের আগ্রাসনে পাঁচ কিলোমিটার সড়কের কিছু অংশ খন্ড খন্ড আবার কিছু অংশ খালে পরিণত হয়েছে। যেকারণে দ্বীপের ৪০হাজার মানুষকে কিছুদূর পায়ে হেঁটে গিয়ে তারপর জলপথে যেতে হয় ।

এলাকাবাসী বলছেন, মাছের ট্রলার কিংবা স্পিডবোটই এখন এই এলাকার মানুষের একমাত্র চলাচলের বাহন। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার সময় বন্ধ হয়ে যায় এই যোগাযোগ ব্যবস্থাও।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সড়ক বিভাগের উপ প্রকৌশলী জানিয়েছেন, শাহপরীর দ্বীপ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। টেন্ডার হয়ে গেলেই কাজ শুরু করা হবে।

প্রতিবেদক: কামরুল ইসলাম মিন্টু
ওয়েব সম্পাদনা: ধ্রুব হাসান